খুঁজুন
সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ, ১৪৩২

৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা পেছানোর দাবীতে জাবি শিক্ষার্থীদের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:২৬ অপরাহ্ণ
৪৭তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা পেছানোর দাবীতে জাবি শিক্ষার্থীদের ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ

জাবি প্রতিনিধি

৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার যৌক্তিক সময়সূচি নিশ্চিত করার দাবিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর সোয়া বারটায় ৪৭ তম বিসিএস এ লিখিত পরীক্ষার জন্য উত্তীর্ণ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন।

ঢাকায় প্রবেশের অন্যতম ব্যস্ত মহাসড়ক হলো ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক। অবরোধকারীরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে (ডেইরি গেট) অবস্থান নিয়ে রাস্তা অবরোধ করলে দ্রুতই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।

 

এ সময় মাত্র আধা ঘন্টা অবরোধ পেরিয়ে গেলে রাস্তার জ্যাম বেধে যায়। ডেইরি গেট থেকে রেডিও কলনি পর্যন্ত দীর্ঘ জ্যাম বেধে যায়। অন্যদিকে ডেইরি গেট থেকে নবীনগর পর্যন্ত রাস্তায় জ্যাম বেধে যায়।

এক পথচারীর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি বাইপাইলে যাবো। কিন্তু রাস্তায় জ্যাম থাকার কারণে আমি বাস থেকে নেমে এখানে পর্যন্ত আসলাম। এখন আমার আরও কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে জানি না।

রাস্তা অবরোধকারীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৬ তম আবর্তনের শিক্ষার্থী রায়হান বলেন, আমরা এতোদিনে কিছু করিনু, আজকে এই মহাসড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছি। যেখানে অন্যান্য বারে পিএসসি লিখিত পরীক্ষার জন্য ন্যূনতম ছয় (৬) মাস সময় দেয়, সেখানে আমাদের এতো অল্প সময়ে লিখিত পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত এক প্রকারের হঠকারিতা।

আমরা মহাসড়ক অবরোধকালে জনদুর্ভোগের কথা বুঝতে পেরেছি৷ কিন্তু পিএসসি তার এমন হঠকারিতামূলক সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে আমাদের উপর করা এই বৈষম্যমূলক আচরণ আমরা মেনে নেবো না। আমরা চাই, আমাদের ন্যায্য দাবী দ্রুততম সময়ের মাঝে মেনে নিয়ে পিএসসি তার সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আনুক।

উল্লেখ্য, দুপুর প্রায় দুইটায় রাস্তার অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা। ঢাকার অন্যতম ব্যস্ত ঢাকা-আরিচা মহাসড়কটি প্রায় পৌনে দুই ঘন্টা যাবত অবরোধ ছিল।

 

৫ লাখ শ্রমিক নিবে ইতালি, আবেদন করবেন যেভাবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
৫ লাখ শ্রমিক নিবে ইতালি, আবেদন করবেন যেভাবে

ইতালির সরকার ঘোষণা করেছে, ২০২৬ থেকে ২০২৮ সালের মধ্যে প্রায় ৫ লাখ (৪৯৭,৫৫০) বিদেশি শ্রমিককে বৈধভাবে কাজের সুযোগ দেওয়া হবে। তারা বলেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে (non‑EU) যারা — তাদের জন্য নতুন “ওয়ার্ক ভিসা / স্পন্সর ভিসা” চালু হবে, যাতে কৃষি, পর্যটন, নির্মাণ, গৃহসেবা, কারিগরি কাজসহ বিভিন্ন খাতে কাজের সুযোগ থাকবে।

পরিকল্পনায় দেখা গেছে — প্রথম বছরে (২০২৬) প্রায় ১,৬৪,৮৫০ জন, ২০২৭‑এ ১,৬৫,৮৫০ জন, এবং ২০২৮‑এ ১,৬৬,৮৫০ জনকে স্বাগত জানাবে। নতুন ভিসার মধ্যে থাকবে — ফুল‑টাইম কাজ, সিজনাল কাজ (যেমন কৃষি, পর্যটন), গৃহসেবা এবং কিছু কারিগরি ও সেলফ‑এমপ্লয়েড এর সুযোগ।

এই ঘোষণার পেছনে মূল কারণ হলো — ইতালিতে বর্তমান শ্রম‑সংকট, শিল্প ও কৃষি খাতে কর্মী অভাব, এবং দেশটির বয়স্ক জনসংখ্যা।

যারা বাংলাদেশ থেকেও সুযোগ খুঁজছেন, তারা জানবেন — ২০২৫ সালের মে মাসে ইতালি ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) হয়েছে, যাতে আইনি গতি বাড়াতে, অবৈধ অভিবাসন কমাতে এবং বৈধভাবে বিদেশে যেতে চাওয়া শ্রমিকদের জন্য সুযোগ তৈরি করা হয়েছে।

তবে সরকারি পক্ষ সতর্ক করছে — আবেদন করতে গেলে ভুয়া দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর কাছে যাচাই করা হয়নি এমন কাগজ দিয়ে যাবেন না। কারণ এবার ভিসা প্রক্রিয়া হবে স্বচ্ছ ও কঠোর, নিয়োগকারী ও আবেদনকারী উভয়ের তথ্য যাচাই করতে হবে।

এই সিদ্ধান্ত — যা “ফ্লো ডিক্রি (Flow Decree 2026–2028)” নামে পরিচিত — ইতালির অভিবাসন নীতিতে এক বড় পরিবর্তন। এটি প্রথাগত বার্ষিক কোটা থেকে তিন বছরের একটা পরিকল্পনামূলক রূপান্তর। এতে বোঝা যায়, ইতালি দীর্ঘমেয়াদিভাবে বৈধ অভিবাসন চায়, এবং শ্রমিক সংকট মোকাবিলায় বিদেশি শ্রমিকদের ওপর নির্ভর করছে।

সার্বিকভাবে — যারা বিদেশে কাজের সুযোগ খুঁজছেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ। তবে আবেদন করার আগে সব তথ্য যাচাই করতে হবে, স্পন্সর বা নিয়োগদাতাকে চেক করতে হবে, এবং সন্দেহজনক দালাল বা চ্যানেল থেকে দূরে থাকতে হবে।

নোয়াখালীতে আনসার ভিডিপি ব্যাংকের কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

আরিফ হোসেন (নোয়াখালী প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৫:০১ অপরাহ্ণ
নোয়াখালীতে আনসার ভিডিপি ব্যাংকের কোটি টাকা আত্মসাৎ, ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

নোয়াখালীতে নামে-বেনামে ঋণ দেওয়ার কথা উল্লেখ করে ১০ কোটির টাকার বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়ে আত্মগোপনে থাকা আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক সেনবাগ ও দত্তেরহাট শাখা ব্যবস্থাপক (ম্যানেজার) আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টায় র‍্যাবের কাছ থেকে তাকে দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ের তদন্ত টিমের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে, গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চট্রগ্রামের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঋণ নেওয়া গ্রাহকদের অধিকাংশ ব্যক্তির বাস্তবে অস্তিত্ব না থাকা, ভুয়া এনআইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা ও গ্রাহকদের না জানিয়ে তাদের নামে ঋণ তুলে ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে ১০ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করে পালিয়ে ছিলেন তিনি।

দুদকের এনফোর্সমেন্ট ইউনিটের গত ২০ অক্টোবরের অভিযানে কর্মকর্তারা রেকর্ডপত্র সংগ্রহ ও যাচাই করে অসংখ্য অনিয়ম এবং জালিয়াতির স্পষ্ট প্রমাণ পান। ব্যাংকটির অভ্যন্তরীণ তদন্তেও মিলে এর সত্যতা। অভিযোগে ভিত্তিতে নোয়াখালী স্পেশাল সিনিয়র জজ আদালতে দুদকের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।

চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বিষয়টি জানাজানি হলে তার বিরুদ্ধে প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে। এই মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীরকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১।

দুদক নোয়াখালী জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফারুক আহমেদ বলেন, ব্যাংকের দুটি শাখা থেকে ৯ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে। তাঁকে র‍্যাবের সহায়তায় গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর নোয়াখালীর উপপরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্ট মো. সুজন মিয়া বলেন, আমাদের বিভিন্ন সদস্যদের নামে ঋণ দেখিয়ে আলমগীর হোসেন অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। বিষয়টি দুদক ও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে উঠে এসেছে।

হঠাৎ ফোন কেন গরম হয়ে যায়? কারণ ও সমাধান একসাথে জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ১:১৮ অপরাহ্ণ
হঠাৎ ফোন কেন গরম হয়ে যায়? কারণ ও সমাধান একসাথে জেনে নিন

ফোন গরম হওয়ার সবচেয়ে সাধারণ কারণ হলো ডিভাইসে বেশি লোড পড়া। অনেকক্ষণ ধরে ভারী গেম খেলা, ভিডিও এডিটিং বা সোশ্যাল মিডিয়ার মতো হাই-লোড অ্যাপ চালালে CPU এবং GPU অতিরিক্ত কাজ করে এবং তাপ তৈরি হয়। চার্জ দিতে দিতে ফোন ব্যবহার করলেও ব্যাটারি দুই দিক থেকে চাপ খায়, ফলে দ্রুত গরম হয়ে যায়। নকল বা লো-মানের চার্জার ব্যবহার করলে সঠিক ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণ না হওয়ায় ব্যাটারি অস্বাভাবিকভাবে হিট করে। দুর্বল নেটওয়ার্ক সিগন্যালের সময় ফোন বারবার কানেকশন খোঁজে, এতে প্রসেসর বেশি কাজ করে এবং তাপ বাড়ে।

ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেক অ্যাপ খোলা থাকলে CPU সবসময় ব্যস্ত থাকে—এটাও ফোন গরম হওয়ার প্রধান কারণগুলোর একটি। ফোনের স্টোরেজ প্রায় পূর্ণ হয়ে গেলে সিস্টেম ফাইলগুলো ঠিকমতো প্রসেস করতে পারে না, ফলে ফোন স্লো হয়ে যায় এবং বেশি তাপ উৎপন্ন করে। পুরোনো সফটওয়্যার বা বাগ থাকলেও ফোন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি লোড নেয়। আর রোদের মধ্যে বা বালিশ/কম্বলের নিচে ফোন রাখলে তাপ বের হতে পারে না, তাই দ্রুত হিট হয়।

সমাধান খুবই সহজ। দীর্ঘ সময় গেম খেলা বা ভারী অ্যাপ চালানোর মাঝে বিরতি নাও এবং গ্রাফিক্স কমিয়ে ব্যবহার করো। চার্জে রেখে ফোন ব্যবহার না করাই ভালো। নকল চার্জার পুরোপুরি বাদ দিয়ে অরিজিনাল চার্জার ব্যবহার করো। সিগন্যাল দুর্বল থাকলে ভালো নেটওয়ার্কে যাও বা ওয়াইফাই ব্যবহার করো। ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো ক্লিয়ার করে দাও এবং স্টোরেজে অন্তত ২০% জায়গা ফাঁকা রাখো। সফটওয়্যার আপডেট করে রাখলে বাগ কমে এবং ফোন স্থিতিশীল থাকে।

ফোন কখনো রোদে বা বালিশের নিচে রেখে দিবেন না —এতে তাপ আটকে যায়। এসব নিয়ম মানলে ফোন অনেক কম গরম হবে এবং পারফরম্যান্সও আগের মতো দ্রুত থাকবে।

ব্রেকিং নিউজ