খুঁজুন
রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ২৭ পৌষ, ১৪৩২

দোহারে সফল প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী, শখের বিড়ালপ্রেমীর মানবিক উদ্যোগে নজর কারলেন কাজী সোনালী

শহিদুল ইসলাম (ঢাকা জেলা দক্ষিন প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:৫৪ অপরাহ্ণ
দোহারে সফল প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী, শখের বিড়ালপ্রেমীর মানবিক উদ্যোগে নজর কারলেন কাজী সোনালী

“দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি, প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকার দোহার উপজেলায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ-২০২৫ উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বুধবার (২৬ নভেম্বর, ২০২৫) দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। দোহার উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের যৌথ উদ্যোগে উপজেলার জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় বড়ো মাঠে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

সকাল থেকেই উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ উপলক্ষ্যে সকালে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি উপজেলা চত্বরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। র্যালি শেষে প্রদর্শনীর মূল কার্যক্রম শুরু হয়। এবারের প্রদর্শনীতে দোহার উপজেলার প্রান্তিক খামারি ও সফল উদ্যোক্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মোট ৪০টি স্টল স্থান পায়। এসব স্টলে উন্নত ও দেশীয় জাতের গাভি, বিশাল আকারের ষাঁড়, ছাগল, ভেড়া, বিড়াল, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, মুরগি, হাস এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি সরঞ্জামাদি প্রদর্শন করা হয়, যা দর্শনার্থীদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। প্রদর্শনী চলাকালে খামারিরা একে অপরের সঙ্গে তাদের পালিত পশুর গুণগত মান, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ পান।
প্রদর্শনীর বাণিজ্যিক স্টলগুলোর মাঝে মানবিকতার ছোঁয়া নিয়ে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেন একই উপজেলার মালিকান্দা থেকে আসা সৌখিন বিড়াল প্রেমী কাজী সোনালী। তিনি তার পালিত বিদেশি জাতের বিড়াল নিয়ে প্রদর্শনীতে অংশ নেন। তবে তার অংশগ্রহণ শুধু শখের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বৃহত্তর প্রাণী সুরক্ষার একটি বার্তা বহন করে। এ বিষয়ে কাজী সোনালী জানান,”বিড়াল পোষা আমার একান্ত শখ। আমার আশেপাশে থাকা অবহেলিত দেশি বিড়ালগুলোকে আমি সম্পূর্ণ নিজের উদ্যোগে উদ্ধার (রেস্কিউ) এবং লালন পালন করি। মানবতা ও প্রাণী সুরক্ষার তাগিদে আমি নিয়মিত এই উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাই। প্রদর্শনীতে এসে ভালো লাগছে, কারণ এখানে শুধু বাণিজ্যিক পশু নয়, আমার মতো শখের প্রাণীপ্রেমীরাও স্থান পেয়েছে।” তিনি আরও বলেন, তার এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সমাজে প্রাণী সুরক্ষার বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করা। তার স্টলটি প্রদর্শনীতে আসা দর্শনার্থী ও প্রাণীপ্রেমীদের মনোযোগ কাড়ে।
প্রদর্শনী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাঈদুল ইসলাম। সহকারি কমিশনার (ভূমি) তাসফিক সিগবাত উল্লাহ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মোঃ শামীম হোসেন। এতে আরও বক্তব্য রাখেন স্থানীয় ব্যক্তিগণ।
প্রধান অতিথি মোঃ মাঈদুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে প্রাণিসম্পদ খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড সুদৃঢ় করতে প্রাণিসম্পদ খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আমাদের অবশ্যই স্মার্ট লাইভস্টক গড়ে তুলতে হবে। আমি খামারিদের প্রতি আহ্বান জানাই, সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া সুযোগ গ্রহণ করে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পশুর উৎপাদন ও মান বৃদ্ধিতে আরও মনোযোগ দিন।সভাপতির বক্তব্যে ডা: মোঃ শামীম হোসেন সকল অংশগ্রহণকারী খামারিকে ধন্যবাদ জানান। তিনি খামারিদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনারা রোগমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর পশু পালনের জন্য নিয়মিত উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন এবং পরামর্শ গ্রহণ করুন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে সেরা খামারিদের পুরস্কৃত করা হয়। উন্নত জাতের পশু পালন, স্বাস্থ্যকর খামার ব্যবস্থাপনা এবং সার্বিক অবদানের ভিত্তিতে।এছাড়া নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জে একই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার খবর পাওয়া গেছে।

বেড়েছে চাল ডালের দাম, কমছে না সবজির দাম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ
বেড়েছে চাল ডালের দাম, কমছে না সবজির দাম

শীত মৌসুমে সরবরাহ বাড়ার কথা থাকলেও দেশের বাজারে নিত্যপণ্যের দামে সাধারণ মানুষের স্বস্তি মিলছে না। চাল, ডাল ও সবজির দাম একসঙ্গে বাড়ায় বা স্থিতিশীলভাবে উচ্চ অবস্থানে থাকায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসিক খরচ আরও চাপে পড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে কালবেলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে উঠে এসেছে, রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে জেলা শহরের বাজারগুলোতে মোটা ও মাঝারি চালের দাম কেজিপ্রতি কয়েক টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। মিনিকেট, নাজিরশাইল ও চিকন জাতের চাল এখন আগের তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে, যা দৈনন্দিন খাবারের ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে।

চালের পাশাপাশি ডালের বাজারেও অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। মসুর, মুগ ও ছোলার মতো জনপ্রিয় ডালের দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই। পাইকারি বাজারে দাম না কমায় খুচরা পর্যায়ে তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বলে ব্যবসায়ীরা দাবি করছেন। অনেক ক্রেতা জানান, আগে যেখানে নির্দিষ্ট বাজেটে মাসের বাজার করা যেত, এখন সেখানে পরিমাণ কমিয়ে কিনতে হচ্ছে।

সবজির ক্ষেত্রেও একই চিত্র। শীতকালীন সবজি যেমন ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, বেগুন ও কাঁচা মরিচ পর্যাপ্ত থাকলেও দাম প্রত্যাশিতভাবে কমেনি। কিছু সবজির দাম সামান্য কমলেও অধিকাংশ পণ্যের দাম আগের উচ্চ পর্যায়েই রয়ে গেছে। ফলে বাজারে পণ্য থাকলেও ক্রেতাদের জন্য তা স্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে না।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহন ব্যয়, পাইকারি দরের চাপ এবং বাজার ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে দাম কমানো যাচ্ছে না। অন্যদিকে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, সরবরাহ চেইনে তদারকি বাড়ানো না গেলে নিত্যপণ্যের এই মূল্যচাপ আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। সার্বিকভাবে চাল, ডাল ও সবজির একসঙ্গে বাড়তি দামে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ছে, আর বাজারে স্বস্তির কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত এখনো দেখা যাচ্ছে না।

মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলায় অভিযোগ

হৃদয় হাসান (জামালপুর প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলায় অভিযোগ

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হৃদয় (২৪) নামে এক রাজমিস্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি)  সকালে মাদারগঞ্জ পৌর ভবনের নির্মাণাধীন গেটে কাজ করার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হৃদয়, পৌরসভার বালিজুড়ী পশ্চিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও একই এলাকার হাসান ফকিরের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সহকর্মীদের সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌর ভবনের নির্মাণাধীন গেটের ছাদের ওপর কাজ করার সময় অসাবধানতাবশত সেখানে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়েন হৃদয়। এতে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ছাদেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। বিষয়টি টের পেয়ে নিচে থাকা সহকর্মীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করার পর হৃদয়ের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেলে তার শরীর গরম ছিল এবং নড়াচড়া লক্ষ্য করা যায়। এ অবস্থায় তাকে পুনরায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে দ্বিতীয়বারও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনরা আরও  অভিযোগ করে বলেন , হাসপাতালের চিকিৎসকরা  অবহেলা না করে যদি  সময়মতো সঠিক চিকিৎসা দিতো তাহলে হৃদয়কে বাঁচানো যেত। এদিকে চিকিৎসকের অবহেলার খবর ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের শান্ত করেন। এ বিষয়ে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,আমাদের চিকিৎসক সব প্রসিডিউর মেনেই তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। রোগীর স্বজনদের এটা ভুল বুঝাবুঝি। মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন,ডাক্তাদের সাথে কথা হয়েছে। তারা দাবি করেছেন পরীক্ষা -নিরীক্ষা করেই রোগীকে মৃত ঘোষণা করেছেন। এ নিয়ে হাসপাতালে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে তাদের বিরুদ্ধে  আইন প্রয়োগ করা হবে।

অতিথি পাখির আগমনের প্রাণ ফিরেছে নিঝুম দ্বীপে

আরিফ হোসেন (নোয়াখালি প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
অতিথি পাখির আগমনের প্রাণ ফিরেছে নিঝুম দ্বীপে

শীতের ভোর, কুয়াশার চাদরে মোড়ানো নিঝুম দ্বীপ তখনো ঘুম ভাঙেনি পুরোপুরি। হঠাৎ নদীর বুকে ডানা ঝাপটানোর শব্দ এক ঝাঁক অতিথি পাখি উড়ে গেল আলো ফোটার আগেই। মুহূর্তেই বোঝা যায়, শীত এলেই নিঝুম দ্বীপ শুধু একটি দ্বীপ নয়, হয়ে ওঠে ডানার রাজ্য। এখানে প্রকৃতি কথা বলে, আর পাখিরা সেই কথার ভাষা।

প্রতিবছর শীত এলেই সুদূর সাইবেরিয়া, মধ্য এশিয়া, ইউরোপ ও হিমালয় অঞ্চল থেকে হাজার হাজার অতিথি পাখি হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এসে আশ্রয় নেয় নোয়াখালী জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বিছিন্ন নিঝুম দ্বীপে । অক্টোবরের শেষ দিক থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এই দ্বীপজুড়ে চলে অতিথি পাখির নীরব উৎসব। খাল, বিল, নদীর চর আর বনভূমি ভরে ওঠে তাদের কলতানে।

নিঝুম দ্বীপের চরাঞ্চলে হাঁটলে দেখা মেলে পাতিহাঁস, নীলশির, সরালি, লেঞ্জা, বাটান, পানকৌড়ি ও গাংচিলের দল। কখনো তারা নদীর জলে খাবার খোঁজে, কখনো চরজুড়ে বিশ্রামে বসে। সূর্যের আলো গায়ে মেখে ডানা ঝাপটানোর সেই দৃশ্য যে কাউকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও শহরের কোলাহল ভুলিয়ে দেয়। ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে এ যেন প্রকৃতির তৈরি এক জীবন্ত সিনেমা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে শীতকালে তাপমাত্রা ভয়াবহভাবে কমে যায়। বরফে ঢেকে যায় জলাশয় ও খাদ্যভূমি। তখন খাদ্যের সন্ধানে এবং উষ্ণতার খোঁজে পাখিরা পাড়ি জমায় দক্ষিণ এশিয়ার দিকে। বাংলাদেশে শীতকালে আবহাওয়া তুলনামূলক সহনীয় এবং জলাভূমিতে খাবারের অভাব না থাকায় অতিথি পাখিরা এখানে নিরাপদ আশ্রয় পায়।

নিঝুম দ্বীপের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য এই পাখিদের টানে। বিস্তৃত চর, নদী, বন আর নির্জন পরিবেশ পাখিদের জন্য আদর্শ আবাসভূমি তৈরি করেছে। তাই প্রতিবছর নির্দিষ্ট মৌসুমে তারা আবার ফিরে আসে এই দ্বীপে যেন পুরোনো ঠিকানায় ফেরা।

শীতের সকালে পর্যটক ও আলোকচিত্রীরা ভিড় করেন নিঝুম দ্বীপে। ভোরের আলোয় নদীর বুকে পাখির উড়াল, চরাঞ্চলে তাদের কলতান সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক মায়াবী পরিবেশ। অনেক ভ্রমণপ্রেমীর কাছে নিঝুম দ্বীপ মানেই এই শীতের পাখির উৎসব। কেউ আসে ছবি তুলতে, কেউ আসে প্রকৃতির কাছে একটু শান্তি খুঁজতে।

তবে এই সৌন্দর্যের মাঝেই লুকিয়ে আছে শঙ্কা। অতিথি পাখি শিকার ও আবাসস্থল ধ্বংস হলে এই উৎসব থেমে যেতে পারে। পরিবেশবাদী ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পাখি সংরক্ষণে সচেতনতা ও কঠোর নজরদারি জরুরি। পাখিরা নিরাপদ থাকলেই নিঝুম দ্বীপ তার এই অনন্য সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারবে।

মার্চ-এপ্রিল মাসে তাপমাত্রা বাড়লে অতিথি পাখিরা আবার নিজ নিজ দেশে ফিরে যায়। তখন নিঝুম দ্বীপ কিছুটা নীরব হয়ে পড়ে। তবে রেখে যায় স্মৃতি ডানার শব্দ, কলতান আর শীতের সকালের অপার মুগ্ধতা।

শীতে নিঝুম দ্বীপে অতিথি পাখির এই আগমন শুধু প্রকৃতির ঘটনা নয়, এটি এক অনুভূতি। যারা একবার এই ডানার মেলায় হারিয়ে গেছে, তারা জানে নিঝুম দ্বীপ শীতে শুধু দেখা যায় না, অনুভব করতে হয়।

ব্রেকিং নিউজ