খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ২৪ পৌষ, ১৪৩২

এখনো নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখছে জাতীয় পার্টি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫৫ পূর্বাহ্ণ
এখনো নির্বাচন করার স্বপ্ন দেখছে জাতীয় পার্টি

এখনো আসন সমঝোতার ‘স্বপ্ন’ দেখছে জাতীয় পার্টি। নির্বাচনের মাঠ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই দলটির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন বাড়ছে। বাস্তবতা হলো—এখন পর্যন্ত কোনো বড় রাজনৈতিক দল বা জোটের সঙ্গে জাতীয় পার্টির আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হয়নি। তবুও দলটির শীর্ষ নেতারা বারবার ইঙ্গিত দিচ্ছেন, শেষ মুহূর্তে হলেও সমঝোতার দরজা বন্ধ হয়নি। কালবেলা পত্রিকার খবরে উঠে এসেছে, জাতীয় পার্টি এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনায় না বসলেও সম্ভাবনার জায়গাটা জিইয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
দলটির নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট, তারা এখনো আশা করছে অন্তত ৬০ থেকে ৭০টি আসনে সমঝোতার মাধ্যমে নির্বাচন করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। যদিও বাস্তব পরিস্থিতি বলছে ভিন্ন কথা। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন পর্যন্ত জাতীয় পার্টির জন্য দৃশ্যমান কোনো সমঝোতার রূপরেখা নেই। বড় দলগুলোর কৌশল, নিজেদের আসন ধরে রাখা এবং শরিকদের নিয়ে হিসাব-নিকাশ—সব মিলিয়ে জাপা কার্যত অপেক্ষমাণ অবস্থানে রয়েছে।
কালবেলার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় পার্টির একজন শীর্ষ নেতা বলেন—এখনো সময় আছে, রাজনীতিতে শেষ কথা কখনো আগেই বলা যায় না। পারস্পরিক প্রয়োজন তৈরি হলে সমঝোতা হতে পারে। এই বক্তব্য থেকেই বোঝা যায়, দলটি বাস্তব কোনো চুক্তির চেয়ে বেশি ভরসা করছে রাজনৈতিক সম্ভাবনা ও শেষ মুহূর্তের হিসাবের ওপর। কিন্তু বাস্তবে অন্যান্য দল ইতোমধ্যেই আসন বণ্টন নিয়ে সিদ্ধান্তের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বা প্রক্রিয়াকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় পার্টির এই অবস্থান অনেকটাই ‘স্বপ্ন নির্ভর রাজনীতি’। যখন কোনো দল শক্ত অবস্থানে থাকে না, তখন সমর্থকদের মধ্যে আশা ধরে রাখতে আসন সমঝোতার কথা বলা হয়। তবে বাস্তব চুক্তি ছাড়া এসব বক্তব্য দীর্ঘমেয়াদে খুব একটা কাজে আসে না। বরং এতে দলটির সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং কৌশলগত অনিশ্চয়তাই আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচন ঘিরে প্রতিটি দল নিজেদের সুবিধামতো অবস্থান নিশ্চিত করতে ব্যস্ত। সেখানে জাতীয় পার্টি এখনো ঠিক করতে পারেনি তারা এককভাবে মাঠে নামবে, নাকি সমঝোতার আশায় অপেক্ষা করবে। এই দোদুল্যমান অবস্থানই দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। সব মিলিয়ে, বাস্তব কোনো অগ্রগতি না থাকলেও জাতীয় পার্টি এখনো আসন সমঝোতার স্বপ্ন দেখছে—যা আদৌ বাস্তবে রূপ নেবে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

ভারতীয়দের জন্য ‘পর্যটক ভিসা’ সীমিত করল বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
ভারতীয়দের জন্য ‘পর্যটক ভিসা’ সীমিত করল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সরকার ভারতের নাগরিকদের জন্য পর্যটক ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে, যার ফলে এখন থেকে ভারতীয় পর্যটকরা বাংলাদেশে পর্যটক ভিসা পেতে আগের মতো সুবিধা পাবেন না। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে এ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে এবং অল্পদিনের মধ্যে কার্যকর হয়েছে বলে সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেছে। কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাইতে অবস্থিত বাংলাদেশের উপ‑হাইকমিশনগুলোতে বর্তমানে ভারতীয় নাগরিকদের পর্যটক ভিসা দেওয়া সীমিত করা হয়েছে। এর আগে দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং আগরতলার সহকারী হাইকমিশনেও পর্যটক ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল।

পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের আওতায় ট্যুরিস্ট বা পর্যটক ভিসা এবং অন্যান্য বেশিরভাগ সাধারণ ভিসা সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে শুধুমাত্র ব্যবসায়িক এবং কর্মসংক্রান্ত ভিসা ছাড়া অন্যান্য ভিসা ধরনগুলো বন্ধ রয়েছে। এই ব্যবস্থাটি মূলত নিরাপত্তা ও কনস্যুলার কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এমন সিদ্ধান্ত কুটনৈতিক সম্পর্কের উত্তেজনার মাঝে এসেছে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের কিছু ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক দ্বন্দ্ব এবং ভিসা‑সম্পর্কিত প্রতিক্রিয়ার কারণে এই সীমাবদ্ধতা আরও দৃঢ় হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও প্রাদেশিক সংবাদ মাধ্যমে জানানো হচ্ছে।

এই পরিবর্তনে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভ্রমণের পরিকল্পনা বড় ধাক্কা খেতে পারে, বিশেষ করে যারা বিনোদন, ভ্রমণ বা স্বল্পকালীন পর্যটনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আসতে চাইতেন। ব্যবসায়িক এবং কর্মসংক্রান্ত কাজে ভিসা এখনও সীমিত পরিসরে পাওয়া যাচ্ছে, তবে পর্যটক হিসেবে বাংলাদেশে প্রবেশে এখন কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রমণ ও মানুষের সংযোগে প্রভাব পরতে পারে, বিশেষ করে যারা স্বল্প সময়ে ভ্রমণে বাংলাদেশে আসার পরিকল্পনা করেছে তারা এ থেকে সরাসরি প্রভাবিত হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে থাকবে।

আগের বারের মতো আর কোনো পাতানো নির্বাচন এবার হবে না; সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
আগের বারের মতো আর কোনো পাতানো নির্বাচন এবার হবে না; সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন একটি স্পষ্ট বার্তা যে আগের মতো এবার কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। এই মন্তব্যটি ৮ জানুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় প্রাঙ্গণে চলমান মনোনয়নপত্র বাছাই ও বাতিল সংক্রান্ত আপিল প্রক্রিয়া পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সামনে দেন তিনি।

সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন ইনসাফে বিশ্বাসী এবং সবার জন্য ন্যায্য বিচার ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে। তিনি আরও বলেন, যারা মনোনয়নপত্র বা বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল করছেন, তাদের আইনি আবেদনের যথাযথ সমাধান আইনের আলোকে প্রদান করা হবে। কমিশন স্বচ্ছতার প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রেখেছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া কোনোভাবেই পক্ষপাতদুষ্ট বা ভুল পথে পরিচালিত হবে না।

এই মন্তব্য এমন এক সময় এসেছে যখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা উদ্বেগ ও আলোচনা চলছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভোটাধিকার, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নগুলো দীর্ঘদিন ধরে উঠেছে এবং সাধারণ মানুষের আস্থাও অনেক বার পরীক্ষা‑নিরীক্ষার মুখে পড়ে। সেক্ষেত্রে সিইসির এমন মন্তব্য একটি নিরাশা রোধক বার্তা হিসেবে গণ্য হচ্ছে, যা নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন।

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর থেকে ইসিতে আপিল দায়ের কার্যক্রমও দ্রুতগতিতে চলছে এবং আগামী দিনে এই প্রক্রিয়ার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। কমিশন আশা করছে, আইন অনুযায়ী প্রতিটি আপিলের যথাযথ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করবে।

নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মূল অঙ্গ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যদি কোনো প্রকার অভিযোগ বা সন্দেহ থেকে যায়, তাহলে সেটি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে আইনের ভিত্তিতে সমাধান করা উচিত — আর সিইসির কথায় স্পষ্ট যে এবারের নির্বাচন এমনভাবে অনুষ্ঠিত হবে না যাতে কেউ “পাতানো নির্বাচন” বলে আখ্যায়িত করতে পারে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের মনোনয়ন, আপিল ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে। নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল ও জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকলে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করাই সম্ভব বলে অভিজ্ঞ বিশ্লেষকরা মনে করেন।

তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করেছেন জামায়াতের আমির, যা নিয়ে আলোচনা হল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করেছেন জামায়াতের আমির, যা নিয়ে আলোচনা হল

১ লা জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকটি মূলত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া’র মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানাতে হওয়া একটি আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা দর্কারের অংশ ছিল। ডা. শফিকুর রহমান প্রথমে শোকবইতে স্বাক্ষর করেন এবং পরে তারেক রহমানের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।

সাক্ষাতের সময় বিএনপি-এর সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, যার মধ্যে ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ, উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকের সঠিক সময়কাল ও নির্দিষ্ট আলোচনার সময়সীমা এখনও পরিস্কারভাবে জানানো হয়নি।

ডা. শফিকুর রহমান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান যে তারা জাতীয় রাজনীতিতে একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং অভিন্ন জাতীয় স্বার্থে রাজনৈতিক সহযোগিতা স্থাপনে আগ্রহী। তিনি বলেন, “নির্বাচনের পরে ও সরকার গঠনের আগে আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সম্ভাব্য ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি”, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমন্বয়ের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়।

জামায়াত-এর আমির আগেও প্রকাশ্যে বলেছেন যে অতীতে তাদের দল বিএনপি-এর সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে একসাথে কাজ করেছে এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও একইভাবে একাধিক রাজনৈতিক ইস্যুতে সহযোগিতা করা সম্ভব।

এই সাক্ষাতের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন পর্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এর আগেও দল দুটি দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার ও কৌশলগত দিক থেকে স্বাধীন ভাবে কাজ করে এসেছে। তাদের সাম্প্রতিক এই সংযোগটি বিশেষত ভবিষ্যতের নির্বাচনের প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক জোটগঠনের সম্ভাব্য দিক উভয়ের দিকেই ইঙ্গিত রাখছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক মঞ্চে গত বছরগুলোতে বড় পরিবর্তন এসেছে। তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে এসেছেন, এবং খালেদা জিয়া’র মৃত্যু দেশটির রাজনীতিতে একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই সময় নির্বাচনের প্রস্তুতি তীব্র হয়ে উঠেছে, এবং জামায়াত-এর মত দলও গত কয়েক মাসে নতুন রাজনৈতিক অবস্থান জোরদার করছে। সাম্প্রতিকভাবে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছিল যে জামায়াত-এর নেতৃত্ব সম্ভাব্য একটি ঐকমত্য ভিত্তিক সরকারের অংশ হওয়া নিয়ে উন্মুক্ত আস্থা প্রকাশ করেছে, যদিও সেই প্রেক্ষাপট নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

সাক্ষাত ও তার পরের বার্তাগুলো রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ভবিষ্যতের জোট এবং ভোটের পূর্বাভাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হতে পারে, বিশেষত যখন দলগুলো স্বাধীনভাবে থেকে আবার সহযোগিতার পথে এগোচ্ছে। তবে এগুলো কিভাবে বাস্তবে প্রভাব ফেলবে তা পরবর্তী রাজনৈতিক অগ্রগতি ও নির্বাচনী ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।

ব্রেকিং নিউজ