খুলনার কৈয়া বাজার কমিটির জয়েন সেক্রেটারি ও সাবেক ছাত্র দল নেতা পরকীয়া করতে গিয়ে পরকীয়া প্রেমিকার ছেলের কাছে হাতে নাতে ধরা খাওয়ার পরে উত্তম মাধ্যম দেয় বিক্ষুপ্ত জনতা
প্রধানমন্ত্রী অবগত, মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ হবেই: এ্যানি
মোঃ আরিফ হোসেন।
নোয়াখালী প্রতিনিধি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষের দুঃখ বোঝেন। তিনি জরুরি ভিত্তিতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণের বিষয়ে অবগত আছেন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুরে নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের আমন্ত্রণে মুছাপুর রেগুলেটর এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। এ সময় বন-পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু উপস্থিত ছিলেন।
এ্যানি বলেন, নোয়াখালী, ফেনী ও কুমিল্লা অঞ্চলকে বাঁচাতে হলে জরুরি ভিত্তিতে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণ করতে হবে। এ জন্য ৮৯৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। যা অচিরেই একনেকে তোলা হবে।
তিনি বলেন, ২০০৩ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় নদীভাঙা মানুষের দুঃখ বুঝে ২৩ ভেন্টের এ রেগুলেটর নির্মাণ করেন। কিন্তু ভারতের উজানের ঢল ও ভয়াবহ বন্যায় গত ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট রেগুলেটরটি ভেঙে যায়। তারই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এ প্রকল্প নিয়ে আন্তরিক।
নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে গেস্ট অব অনারের বক্তব্য রাখেন, বন-পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম।
মুরাদনগরের খামারগ্রামে শতবর্ষের ঐতিহ্যে প্রায় ৪ শতাধিক মুসল্লির ইতেকাফ, যুবসমাজের মেহমানদারী
সাইফুল সরকার মুরাদনগর উপজেলা প্রতিনিধি
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী খামারগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পবিত্র মাহে রমজানের শেষ দশকে প্রায় চার শতাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে ইতেকাফ পালিত হচ্ছে। দীর্ঘ প্রায় শত বছরের বেশি সময় ধরে চলে আসা এই ধর্মীয় আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, সোনাকান্দা দারুল হুদা দরবার শরীফের পীর সাহেবগণ ও তাদের ভক্ত-মুরিদানদের অংশগ্রহণে এই মসজিদে বহু বছর ধরে ইতেকাফের আয়োজন হয়ে আসছে। চলতি বছরের ২০ রমজান থেকে দরবার শরীফের বর্তমান পীর সাহেব অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে প্রায় ৩৫০ থেকে ৪০০ জন মুসল্লি রমজানের শেষ দশ দিন ইতেকাফে বসেছেন।
ইতেকাফের প্রথম দিনে আগত মুসল্লিদের জন্য ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরির আয়োজন করে খামারগ্রাম দক্ষিণপাড়া যুবসমাজ। প্রতি বছরের মতো এবারও তারা নিজেদের উদ্যোগ ও সহযোগিতায় এই আয়োজন সম্পন্ন করেন।
এ বিষয়ে পীর সাহেব অধ্যক্ষ মাওলানা মাহমুদুর রহমান বলেন,
“আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের দাদা হুজুরের সময় থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় শত বছরেরও বেশি সময় ধরে এখানে রমজানের শেষ দশ দিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মুসল্লিদের নিয়ে ইতেকাফ পালন করা হয়ে আসছে। ইতেকাফে অংশ নেওয়া মুসল্লিরা দিন-রাত ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি ইসলামী জ্ঞান অর্জন করে থাকেন। খামারগ্রাম ও আশেপাশের এলাকার মানুষ অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে মুসল্লিদের খেদমত করে থাকেন।”
তিনি আরও বলেন, ইতেকাফ চলাকালীন দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ কামনায় প্রতিদিন বিশেষ দোয়া করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, শত বছরের এই ধর্মীয় ঐতিহ্য ধরে রাখতে খামারগ্রামের যুবসমাজ ও এলাকাবাসী একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মুসল্লিদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এই মহতী উদ্যোগকে এলাকাবাসী প্রশংসা করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন