খুঁজুন
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

জাবিতে মধ্যরাতেও উচ্চস্বরে গান, বন্ধ করতে বলায় প্রক্টরকে গালি প্রদান

আলামিন খান (জাবি প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৫:২৯ অপরাহ্ণ
জাবিতে মধ্যরাতেও উচ্চস্বরে গান, বন্ধ করতে বলায় প্রক্টরকে গালি প্রদান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের গ্রেফতার ও দেশজুড়ে বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ‘বাউলের দ্রোহ’ শীর্ষক গানের আসর আয়োজন করেন একদল শিক্ষার্থী। রবিবার (৩০ নভেম্বর) বিকাল পাঁচটা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্ত্বরে অনুষ্ঠান চলে।

এদিকে, গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চস্বরে গান বাজানোয় বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দীক বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫১ ব্যাচের শিক্ষার্থী তানমি শাহারিন বলেন, কেমন প্রশাসন আমাদের নিয়ন্ত্রণ করছে , তা স্পষ্ট।সন্ধ্যা থেকে উচ্চ শব্দ, পৃথিবীর কোন সভ্য দেশে এমন হয় জানিনা। ঘুমানোর জন্য দেড়ঘণ্টা ধরে চেষ্টা করেও ঘুমাতে পারছিনা।এত সাউন্ড।এই প্রশাসনের কী কিছুই আসে যায় না? শিক্ষার্থী দের কষ্ট কী তাদের কাছে কিছুই না? আর যারা এভাবে গান বাজাচ্ছেন,তারা মূলত কারা?তাদের কী কোনো সভ্যতা নেই?

আরেক শিক্ষার্থী লিখেন, রাত ২টা পর্যন্ত এমন শব্দ সহ্য করা সম্ভব নয়। সাংস্কৃতিক চর্চা ভালো ব্যাপার, কিন্তু সেটা যদি অন্যের বিশ্রাম কেড়ে নেয় তাহলে সেটি সংস্কৃতি নয় বরং বিপর্যয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশেদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে আয়োজকদের উচ্চস্বরের গান বন্ধ করতে অনুরোধ করে বলেন, এটা আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়। অনেকের ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ন করে এভাবে গান বাজানো উচিত নয়।

প্রক্টরের এ অনুরোধে ক্ষিপ্ত হয়ে কিছু আয়োজক তাঁর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ে জড়ান প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য ও এক ভিডিওতে দেখা যায়, প্রক্টরের সামনে ৫১তম ব্যাচের দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রফ্রন্টের সংগঠক সজিব আহমেদ জেনিচকে গালিগালাজ করতে শোনা যায়। এর আগেও বিভিন্ন ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গালাগালি করার অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম রাশিদুল আলম গনমাধ্যমকে বলেন, সন্ধ্যার পর থেকেই অনেক শিক্ষার্থী উচ্চ শব্দ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছে। কারণ, তাদের পরীক্ষা চলছে, এখন পরীক্ষার মৌসুম। অনেক শিক্ষার্থী গানের উচ্চ শব্দে মাইগ্রেনের সমস্যার কথাও জানিয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে আয়োজকদের শব্দ কমাতে বলেছিলাম। পরে রাত পৌনে দুইটার দিকে অনুষ্ঠান শেষ করার জন্য অনুরোধ করলে তারা ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় চায় এবং সে সময়ের পর আমার অনুরোধে অনুষ্ঠান শেষ করেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে এবং বাজে শব্দ ব্যবহার করেছে।

অন্যদিকে, রাত ১টার দিকে পরিবহন চত্বরে উচ্চ শব্দ বন্ধ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের আরেকটি দল উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গান চালাবেন বলে ঘোষণা দেন। পরে সোয়া একটার দিকে তাঁরা হ্যান্ডমাইক ও ছোট সাউন্ডবক্স নিয়ে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে গান বাজাতে থাকেন।

তাজউদ্দীন আহমদ হল সংসদের ভিপি সিফাতউল্লাহ সিফাত বলেন, রাত ১০টা থেকে শিক্ষার্থীরা ফেসবুকে পোস্ট করেছেন। গানের উচ্চ শব্দে তাঁরা পড়তে পারছেন না, তাঁদের সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু আয়োজকেরা সেসব মান্য করেননি এবং প্রশাসনেরও টনক নড়েনি। প্রশাসন যখন কোনো উদ্যোগ নেয়নি, আমরা ভিসির বাসভবনের সামনে গিয়ে প্রতিবাদস্বরূপ গান বাজিয়েছি।

উপাচার্যের বাসভবনের সামনে গান বাজানো প্রসঙ্গে প্রক্টর বলেন, পরিবহন চত্বরে উচ্চ শব্দে গান বাজানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে আরেকদল শিক্ষার্থী উপাচার্যের বাসভবনের সামনে জড়ো হয় এবং তারাও তুলনামূলক উচ্চস্বরে কিছু কার্যক্রমে অংশ নেয়। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণও কাম্য নয়।

এর আগে ১৫ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্বার্থে রাত ১০টার পর যে কোনো প্রকার অনুষ্ঠান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়াও অনুষ্ঠান চলমান থাকলে আয়োজকদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত বিধি/রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করার কথাও বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও রাত ১০টার পর এমন আয়োজন চলতে থাকায় শিক্ষার্থীদের ঘুম ও পড়াশোনার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্দেশনা অমান্য করে ‘বাউল দ্রোহ’ নামের অনুষ্ঠানে গভীর রাত পর্যন্ত উচ্চ শব্দে সাউন্ড ব্যবহার করা হয়। এতে আবাসিক হল গুলোতে থাকা শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

ফেসবুক গ্রুপ ‘জাবির সকল সংবাদ’ এ বিভিন্ন শিক্ষার্থী তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। এক শিক্ষার্থী লিখেন,পরীক্ষার পড়া নিয়ে বসেছি, কিন্তু সাউন্ডের কারণে মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। নিয়ম করে কী লাভ, যদি প্রয়োগ না হয়?

প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল গালিব লেখেন, যতদুর জানি আজকের বাউল সন্ধ্যা প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের তীব্র প্রতিক্রিয়া সত্ত্বেও উচ্চশব্দে পুরো সময় কনসার্ট চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে এখনো। আমাদের হল থেকেই টিকতে পারছিনা। অথচ পাশের লেকেই অতিথি পাখির আবাস।

তিনি আরও বলেন, প্রাণ-প্রকৃতি নিয়ে নিয়মিত চিল্লানো হিপোক্রেটরাই নিজেদের প্রোগ্রামের বেলায় প্রকৃতির কথা ভুলে গেছে। প্রাণিবিদ্যার শিক্ষার্থী হিসেবে এটার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিয়মের তোয়াক্কা না করে এমন প্রোগ্রামে জাকসু নেতৃবৃন্দ, প্রশাসন ও সাংবাদিকরা নিরব কেন? ফাইনাল পরীক্ষার সময় নিয়মবহির্ভূত এমন প্রোগ্রাম চলতে থাকলে জাকসুর দরকার টা কি?

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ৫১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ফারিহা তাবাসসুম মাওয়া বলেন, আপনারা প্রোগ্রাম করতেছেন ভালো কথা কিন্তু পুরো ক্যাম্পাস কাঁপাইতেছেন কেন?ঢাকা – আরিচা মহাসড়কের কারণে মেয়েদের হলে রাতে টিকা যায় না। তার উপর এসব প্রোগ্রামের সাউন্ড। ম্যাক্সিমাম ডিপার্ট্মেন্টের এখন ফাইনাল চলে। পরীক্ষা দিয়ে এসে আপনাদের সাউন্ডের অত্যাচারে ঘুমাতেও পারিনা। সাউন্ড সন্ত্রাস থেকে আমাদের মুক্তি দিন প্লিজ।

ময়মনসিংহ মেডিকেলে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ সংঘর্ষে একজন গুরুতর আহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ণ
ময়মনসিংহ মেডিকেলে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ সংঘর্ষে একজন গুরুতর আহত

ময়মনসিংহ মেডিকেলে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ সংঘর্ষে একজন গুরুতর আহত

নিজস্ব প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ এলাকায় ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে, যা ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, ৬১ ব্যাচের (M-61) দুই শিক্ষার্থী মুয়াজ ও হামিদুর রহমান—এর মধ্যে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। উভয়েই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা থাকলেও ব্যক্তিগত বিরোধের জের ধরেই এ সংঘর্ষ ঘটে।

একপর্যায়ে হামলায় স্টেইনলেস স্টিল (এসএস) পাইপ ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে, এতে আহত শিক্ষার্থীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনার পর ক্যাম্পাসে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ময়মনসিংহ শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মাদারগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

Ridoy Hasan
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

মাদারগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

হৃদয় হাসান
মাদারগঞ্জ (জামালপুর)

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বর্ণিল ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। দিনব্যাপী নানা আয়োজনে সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রাণের উৎসবে পরিণত হয় পহেলা বৈশাখ।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি মাদারগঞ্জ পৌরসভা চত্বর থেকে শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে সমাপ্ত হয়। রঙিন ব্যানার, ফেস্টুন ও ঐতিহ্যবাহী মুখোশে সজ্জিত এ শোভাযাত্রা বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে।

শোভাযাত্রা শেষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গ্রামীণ ঐতিহ্যের প্রতীক পান্তাভাতসহ বিভিন্ন বাঙালি খাবারের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি দিনব্যাপী বসে বৈশাখী মেলা, যেখানে স্থানীয় হস্তশিল্প, নকশিকাঁথা, মাটির তৈরি সামগ্রী ও ঐতিহ্যবাহী পণ্যের বিভিন্ন স্টল দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে আয়োজন করা হয় গ্রামীণ ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, যেমন—লাঠি খেলা, হাড়ি ভাঙা ও সাপ খেলা। এছাড়াও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উৎসবে ভিন্নমাত্রা যোগ করে। সংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তির মাধ্যমে বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল দিও, মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার শাকের আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মঞ্জুর কাদের বাবুল খান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম খালেক, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আতিকুর রহমান এবং উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়াসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এদিকে, মাদারগঞ্জ উদয়ন সাংস্কৃতিক ও সমাজ কল্যাণ সংস্থা এবং মাদারগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের যৌথ আয়োজনে বালিজুড়ী বাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে আরেকটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উদয়ন কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।

এতে উপস্থিত ছিলেন মাদারগঞ্জ উদয়ন সাংস্কৃতিক ও সমাজ কল্যাণ সংস্থার আহ্বায়ক রাকিবুল ইসলাম লিটন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মোখলেস, সংস্থার সদস্য কামরুল হাসান সুজন, মোকসেদুর রহমান বেলাল, রকিব হাসনাত, পৌর বিএনপির সহসভাপতি মাজেদ মোল্লা, জেলা যুবদলের সদস্য আল আমিন তালুকদার, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান টুটুল, যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান খান সৌরভসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ।

সর্বমোট, উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে মাদারগঞ্জে বাংলা নববর্ষ উদযাপন বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

জুলুম-নির্যাতনের ১৭ বছর পেরিয়ে এবার চেয়ারম্যান পদে জাহিদুল ইসলাম

Fahim Islam
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৪ পূর্বাহ্ণ
জুলুম-নির্যাতনের ১৭ বছর পেরিয়ে এবার চেয়ারম্যান পদে জাহিদুল ইসলাম

জুলুম-নির্যাতনের ১৭ বছর পেরিয়ে এবার চেয়ারম্যান পদে জাহিদুল ইসলাম

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ফাহিম ইসলাম

দীর্ঘ ১৭ বছরের জুলুম, নির্যাতন ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে পথচলা খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিগত সময়গুলোতে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকায় তিনি একাধিকবার হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হন। তবুও দলীয় আদর্শে অটল থেকে এলাকায় সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাদের দুঃখ-কষ্ট খুব কাছ থেকে দেখেছি। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থন নিয়েই তিনি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। নির্বাচিত হলে জলমা ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সুশাসিত ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এলাকার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, জাহিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, চিকিৎসা সহায়তা প্রদান এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, তৃণমূলের জনপ্রিয়তা ও দীর্ঘদিনের ত্যাগ-তিতিক্ষার কারণে তিনি চেয়ারম্যান পদে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা শুরু হয়েছে। জাহিদুল ইসলামের সমর্থকরা আশাবাদী, জনগণের ভোটে তিনি বিজয়ী হয়ে এলাকার উন্নয়নে নতুন দিগন্ত সূচনা করবেন।

ব্রেকিং নিউজ