খুঁজুন
শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ২৫ পৌষ, ১৪৩২

তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করেছেন জামায়াতের আমির, যা নিয়ে আলোচনা হল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করেছেন জামায়াতের আমির, যা নিয়ে আলোচনা হল

১ লা জানুয়ারি ২০২৬ সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সঙ্গে একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এই বৈঠকটি মূলত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া’র মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানাতে হওয়া একটি আনুষ্ঠানিক শুভেচ্ছা দর্কারের অংশ ছিল। ডা. শফিকুর রহমান প্রথমে শোকবইতে স্বাক্ষর করেন এবং পরে তারেক রহমানের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।

সাক্ষাতের সময় বিএনপি-এর সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, যার মধ্যে ছিলেন সেক্রেটারি জেনারেল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ, উপস্থিত ছিলেন। তবে বৈঠকের সঠিক সময়কাল ও নির্দিষ্ট আলোচনার সময়সীমা এখনও পরিস্কারভাবে জানানো হয়নি।

ডা. শফিকুর রহমান বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান যে তারা জাতীয় রাজনীতিতে একটি স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং অভিন্ন জাতীয় স্বার্থে রাজনৈতিক সহযোগিতা স্থাপনে আগ্রহী। তিনি বলেন, “নির্বাচনের পরে ও সরকার গঠনের আগে আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সম্ভাব্য ফলপ্রসূ আলোচনা করেছি”, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমন্বয়ের সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়।

জামায়াত-এর আমির আগেও প্রকাশ্যে বলেছেন যে অতীতে তাদের দল বিএনপি-এর সঙ্গে অনেক ক্ষেত্রে একসাথে কাজ করেছে এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও একইভাবে একাধিক রাজনৈতিক ইস্যুতে সহযোগিতা করা সম্ভব।

এই সাক্ষাতের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি নতুন পর্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ এর আগেও দল দুটি দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার ও কৌশলগত দিক থেকে স্বাধীন ভাবে কাজ করে এসেছে। তাদের সাম্প্রতিক এই সংযোগটি বিশেষত ভবিষ্যতের নির্বাচনের প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক জোটগঠনের সম্ভাব্য দিক উভয়ের দিকেই ইঙ্গিত রাখছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক মঞ্চে গত বছরগুলোতে বড় পরিবর্তন এসেছে। তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসন শেষে দেশে ফিরে এসেছেন, এবং খালেদা জিয়া’র মৃত্যু দেশটির রাজনীতিতে একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই সময় নির্বাচনের প্রস্তুতি তীব্র হয়ে উঠেছে, এবং জামায়াত-এর মত দলও গত কয়েক মাসে নতুন রাজনৈতিক অবস্থান জোরদার করছে। সাম্প্রতিকভাবে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছিল যে জামায়াত-এর নেতৃত্ব সম্ভাব্য একটি ঐকমত্য ভিত্তিক সরকারের অংশ হওয়া নিয়ে উন্মুক্ত আস্থা প্রকাশ করেছে, যদিও সেই প্রেক্ষাপট নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

সাক্ষাত ও তার পরের বার্তাগুলো রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে ভবিষ্যতের জোট এবং ভোটের পূর্বাভাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হতে পারে, বিশেষত যখন দলগুলো স্বাধীনভাবে থেকে আবার সহযোগিতার পথে এগোচ্ছে। তবে এগুলো কিভাবে বাস্তবে প্রভাব ফেলবে তা পরবর্তী রাজনৈতিক অগ্রগতি ও নির্বাচনী ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।

অতিথি পাখির আগমনের প্রাণ ফিরেছে নিঝুম দ্বীপে

আরিফ হোসেন (নোয়াখালি প্রতিনিধি)
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৫ অপরাহ্ণ
অতিথি পাখির আগমনের প্রাণ ফিরেছে নিঝুম দ্বীপে

শীতের ভোর, কুয়াশার চাদরে মোড়ানো নিঝুম দ্বীপ তখনো ঘুম ভাঙেনি পুরোপুরি। হঠাৎ নদীর বুকে ডানা ঝাপটানোর শব্দ এক ঝাঁক অতিথি পাখি উড়ে গেল আলো ফোটার আগেই। মুহূর্তেই বোঝা যায়, শীত এলেই নিঝুম দ্বীপ শুধু একটি দ্বীপ নয়, হয়ে ওঠে ডানার রাজ্য। এখানে প্রকৃতি কথা বলে, আর পাখিরা সেই কথার ভাষা।

প্রতিবছর শীত এলেই সুদূর সাইবেরিয়া, মধ্য এশিয়া, ইউরোপ ও হিমালয় অঞ্চল থেকে হাজার হাজার অতিথি পাখি হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এসে আশ্রয় নেয় নোয়াখালী জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বিছিন্ন নিঝুম দ্বীপে । অক্টোবরের শেষ দিক থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এই দ্বীপজুড়ে চলে অতিথি পাখির নীরব উৎসব। খাল, বিল, নদীর চর আর বনভূমি ভরে ওঠে তাদের কলতানে।

নিঝুম দ্বীপের চরাঞ্চলে হাঁটলে দেখা মেলে পাতিহাঁস, নীলশির, সরালি, লেঞ্জা, বাটান, পানকৌড়ি ও গাংচিলের দল। কখনো তারা নদীর জলে খাবার খোঁজে, কখনো চরজুড়ে বিশ্রামে বসে। সূর্যের আলো গায়ে মেখে ডানা ঝাপটানোর সেই দৃশ্য যে কাউকে কিছুক্ষণের জন্য হলেও শহরের কোলাহল ভুলিয়ে দেয়। ভ্রমণপ্রেমীদের কাছে এ যেন প্রকৃতির তৈরি এক জীবন্ত সিনেমা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তর গোলার্ধের দেশগুলোতে শীতকালে তাপমাত্রা ভয়াবহভাবে কমে যায়। বরফে ঢেকে যায় জলাশয় ও খাদ্যভূমি। তখন খাদ্যের সন্ধানে এবং উষ্ণতার খোঁজে পাখিরা পাড়ি জমায় দক্ষিণ এশিয়ার দিকে। বাংলাদেশে শীতকালে আবহাওয়া তুলনামূলক সহনীয় এবং জলাভূমিতে খাবারের অভাব না থাকায় অতিথি পাখিরা এখানে নিরাপদ আশ্রয় পায়।

নিঝুম দ্বীপের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য এই পাখিদের টানে। বিস্তৃত চর, নদী, বন আর নির্জন পরিবেশ পাখিদের জন্য আদর্শ আবাসভূমি তৈরি করেছে। তাই প্রতিবছর নির্দিষ্ট মৌসুমে তারা আবার ফিরে আসে এই দ্বীপে যেন পুরোনো ঠিকানায় ফেরা।

শীতের সকালে পর্যটক ও আলোকচিত্রীরা ভিড় করেন নিঝুম দ্বীপে। ভোরের আলোয় নদীর বুকে পাখির উড়াল, চরাঞ্চলে তাদের কলতান সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক মায়াবী পরিবেশ। অনেক ভ্রমণপ্রেমীর কাছে নিঝুম দ্বীপ মানেই এই শীতের পাখির উৎসব। কেউ আসে ছবি তুলতে, কেউ আসে প্রকৃতির কাছে একটু শান্তি খুঁজতে।

তবে এই সৌন্দর্যের মাঝেই লুকিয়ে আছে শঙ্কা। অতিথি পাখি শিকার ও আবাসস্থল ধ্বংস হলে এই উৎসব থেমে যেতে পারে। পরিবেশবাদী ও বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পাখি সংরক্ষণে সচেতনতা ও কঠোর নজরদারি জরুরি। পাখিরা নিরাপদ থাকলেই নিঝুম দ্বীপ তার এই অনন্য সৌন্দর্য ধরে রাখতে পারবে।

মার্চ-এপ্রিল মাসে তাপমাত্রা বাড়লে অতিথি পাখিরা আবার নিজ নিজ দেশে ফিরে যায়। তখন নিঝুম দ্বীপ কিছুটা নীরব হয়ে পড়ে। তবে রেখে যায় স্মৃতি ডানার শব্দ, কলতান আর শীতের সকালের অপার মুগ্ধতা।

শীতে নিঝুম দ্বীপে অতিথি পাখির এই আগমন শুধু প্রকৃতির ঘটনা নয়, এটি এক অনুভূতি। যারা একবার এই ডানার মেলায় হারিয়ে গেছে, তারা জানে নিঝুম দ্বীপ শীতে শুধু দেখা যায় না, অনুভব করতে হয়।

ভারতীয়দের জন্য ‘পর্যটক ভিসা’ সীমিত করল বাংলাদেশ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
ভারতীয়দের জন্য ‘পর্যটক ভিসা’ সীমিত করল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ সরকার ভারতের নাগরিকদের জন্য পর্যটক ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে, যার ফলে এখন থেকে ভারতীয় পর্যটকরা বাংলাদেশে পর্যটক ভিসা পেতে আগের মতো সুবিধা পাবেন না। বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাতে এ সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে এবং অল্পদিনের মধ্যে কার্যকর হয়েছে বলে সরকারি সূত্র নিশ্চিত করেছে। কলকাতা, মুম্বাই ও চেন্নাইতে অবস্থিত বাংলাদেশের উপ‑হাইকমিশনগুলোতে বর্তমানে ভারতীয় নাগরিকদের পর্যটক ভিসা দেওয়া সীমিত করা হয়েছে। এর আগে দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং আগরতলার সহকারী হাইকমিশনেও পর্যটক ভিসা কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল।

পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তের আওতায় ট্যুরিস্ট বা পর্যটক ভিসা এবং অন্যান্য বেশিরভাগ সাধারণ ভিসা সেবা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে শুধুমাত্র ব্যবসায়িক এবং কর্মসংক্রান্ত ভিসা ছাড়া অন্যান্য ভিসা ধরনগুলো বন্ধ রয়েছে। এই ব্যবস্থাটি মূলত নিরাপত্তা ও কনস্যুলার কার্যক্রমের প্রেক্ষিতে নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, এমন সিদ্ধান্ত কুটনৈতিক সম্পর্কের উত্তেজনার মাঝে এসেছে। দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের কিছু ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক দ্বন্দ্ব এবং ভিসা‑সম্পর্কিত প্রতিক্রিয়ার কারণে এই সীমাবদ্ধতা আরও দৃঢ় হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও প্রাদেশিক সংবাদ মাধ্যমে জানানো হচ্ছে।

এই পরিবর্তনে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভ্রমণের পরিকল্পনা বড় ধাক্কা খেতে পারে, বিশেষ করে যারা বিনোদন, ভ্রমণ বা স্বল্পকালীন পর্যটনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে আসতে চাইতেন। ব্যবসায়িক এবং কর্মসংক্রান্ত কাজে ভিসা এখনও সীমিত পরিসরে পাওয়া যাচ্ছে, তবে পর্যটক হিসেবে বাংলাদেশে প্রবেশে এখন কঠোর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হচ্ছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রমণ ও মানুষের সংযোগে প্রভাব পরতে পারে, বিশেষ করে যারা স্বল্প সময়ে ভ্রমণে বাংলাদেশে আসার পরিকল্পনা করেছে তারা এ থেকে সরাসরি প্রভাবিত হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে থাকবে।

আগের বারের মতো আর কোনো পাতানো নির্বাচন এবার হবে না; সিইসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
আগের বারের মতো আর কোনো পাতানো নির্বাচন এবার হবে না; সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন একটি স্পষ্ট বার্তা যে আগের মতো এবার কোনো পাতানো নির্বাচন হবে না। এই মন্তব্যটি ৮ জানুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় প্রাঙ্গণে চলমান মনোনয়নপত্র বাছাই ও বাতিল সংক্রান্ত আপিল প্রক্রিয়া পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সামনে দেন তিনি।

সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন ইনসাফে বিশ্বাসী এবং সবার জন্য ন্যায্য বিচার ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করবে। তিনি আরও বলেন, যারা মনোনয়নপত্র বা বাছাইয়ের বিরুদ্ধে আপিল করছেন, তাদের আইনি আবেদনের যথাযথ সমাধান আইনের আলোকে প্রদান করা হবে। কমিশন স্বচ্ছতার প্রতি দৃঢ় বিশ্বাস রেখেছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া কোনোভাবেই পক্ষপাতদুষ্ট বা ভুল পথে পরিচালিত হবে না।

এই মন্তব্য এমন এক সময় এসেছে যখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানা উদ্বেগ ও আলোচনা চলছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভোটাধিকার, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার প্রশ্নগুলো দীর্ঘদিন ধরে উঠেছে এবং সাধারণ মানুষের আস্থাও অনেক বার পরীক্ষা‑নিরীক্ষার মুখে পড়ে। সেক্ষেত্রে সিইসির এমন মন্তব্য একটি নিরাশা রোধক বার্তা হিসেবে গণ্য হচ্ছে, যা নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন।

মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের পর থেকে ইসিতে আপিল দায়ের কার্যক্রমও দ্রুতগতিতে চলছে এবং আগামী দিনে এই প্রক্রিয়ার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। কমিশন আশা করছে, আইন অনুযায়ী প্রতিটি আপিলের যথাযথ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করবে।

নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করা একটি গণতান্ত্রিক সমাজের মূল অঙ্গ। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যদি কোনো প্রকার অভিযোগ বা সন্দেহ থেকে যায়, তাহলে সেটি সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে আইনের ভিত্তিতে সমাধান করা উচিত — আর সিইসির কথায় স্পষ্ট যে এবারের নির্বাচন এমনভাবে অনুষ্ঠিত হবে না যাতে কেউ “পাতানো নির্বাচন” বলে আখ্যায়িত করতে পারে।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের মনোনয়ন, আপিল ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে। নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দল ও জনগণের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় থাকলে একটি গ্রহণযোগ্য, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করাই সম্ভব বলে অভিজ্ঞ বিশ্লেষকরা মনে করেন।

ব্রেকিং নিউজ