খুঁজুন
সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৯ মাঘ, ১৪৩২

​বঞ্চনা পেরিয়ে প্রত্যাবর্তনের নতুন দিগন্ত: রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসেনকে ঐতিহাসিক সংবর্ধনা

​নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
​বঞ্চনা পেরিয়ে প্রত্যাবর্তনের নতুন দিগন্ত: রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসেনকে ঐতিহাসিক সংবর্ধনা

​বঞ্চনা পেরিয়ে প্রত্যাবর্তনের নতুন দিগন্ত: রফিকুল আমীন ও মোহাম্মদ হোসেনকে ঐতিহাসিক সংবর্ধনা

​নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

বিনাবিচারে দীর্ঘ ১২ বছর ৩ মাস ৫ দিনের অন্ধকার কারাজীবন শেষে রাজকীয় সংবর্ধনায় সিক্ত হলেন ডেসটিনি গ্রুপের দুই কর্ণধার ডঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন ও আলহাজ্ব মোহাম্মদ হোসেন। গত শনিবার(৩১জানুয়ারী) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) অত্যন্ত আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাদের ‘ঐতিহাসিক কারামুক্তি সংবর্ধনা ও আগামীর পরিকল্পনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সহস্রাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠানটি কেবল একটি সংবর্ধনাই ছিল না, বরং দীর্ঘ বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক নীরব প্রতিবাদ এবং নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তিশালী অঙ্গীকারে পরিণত হয়।
​৬টি সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডেসটিনির ডায়মন্ড এক্সিকিউটিভ ও গো- ডায়মন্ডের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম। কাজল সাহার প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন (ডিডিআইএর) সভাপতি আবুল হাসান, ডিএসএমএল গ্রীনের শরিফুল ইসলাম গাজী, ডিএসএমএল ব্লু’র মোশাররফ হোসেন, ডিডাফ-এর মাসুদ পারভেজ, বিল্ড ডেসটিনি ফোরামের মোঃ রাশেদুল ইসলাম এবং সেঞ্চুরির ফরহাদ হোসেন প্রমুখ।
​অনুষ্ঠানে বক্তারা সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলেন, “ডেসটিনির ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো দ্রুত সচল করে এবং জব্দকৃত সম্পত্তি অবমুক্ত করে দেশের ৪৫ লক্ষ বিনিয়োগকারী ও ক্রেতা-পরিবেশককে পুনরায় কর্মসংস্থানের সুযোগ দিন। এই বিশাল জনবলকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও বেকারত্ব নিরসনে ডেসটিনি গ্রুপ নজিরবিহীন ভূমিকা রাখতে সক্ষম।” তারা দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ডেসটিনির জনশক্তিকে ব্যবহারের পরিবেশ তৈরি করার জন্য সরকারের সুদৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
​সংবর্ধনার জবাবে ডঃ মোহাম্মদ রফিকুল আমীন আবেগজড়িত কণ্ঠে বলেন, “এই দীর্ঘ কারাবাস ও মানসিক যন্ত্রণা আমাদের দমাতে পারেনি। আমরা এদেশের মাটি ও মানুষের উন্নয়নে বিশ্বাসী। ইনশাআল্লাহ, আমরা সকল বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশসহ টাকা ফেরত দেব। আগামীতে নির্বাচিত সরকারের সাথে সু-সমন্বয় ও আন্তরিকতার মাধ্যমে আমরা দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাব।” অন্যদিকে, আলহাজ্ব মোহাম্মদ হোসেন তাঁর বক্তব্যে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আগামীর দিনগুলোতে ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তাঁরা আরও সুসংগঠিতভাবে মাঠে নামতে বদ্ধপরিকর।
​অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশ তৈরি হয় যখন গত এক যুগে জেল-জুলুম ও নিগ্রহের শিকার পিএসডি আক্কাসসহ বেশ কয়েকজন কর্মী তাঁদের ওপর নেমে আসা অবর্ণনীয় নির্যাতনের লোমহর্ষক অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। উপস্থিত জনতা মনে করেন, এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান প্রমাণ করেছে যে সময় যত দীর্ঘই হোক, অন্যায় চিরস্থায়ী নয়; সত্যের জয় অনিবার্য। দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় পর দুই নেতার এই প্রত্যাবর্তন ডেসটিনি পরিবারের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে এবং নতুন করে পথচলার সাহসী অঙ্গীকার হিসেবে ইতিহাসের পাতায় স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ওসমান হাদি হত্যায় গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেলের দায় স্বীকার

প্রতিবেদক রাসেল মাহমুদ রংপুর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৮ পূর্বাহ্ণ
ওসমান হাদি হত্যায় গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেলের দায় স্বীকার

ওসমান হাদি হত্যায় গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেলের দায় স্বীকার

প্রতিবেদক
রাসেল মাহমুদ রংপুর

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেল আহমেদ আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রিমান্ড শেষে আসামি রুবেলকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আসামি রুবেল স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি মধ্যরাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটি নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

পরদিন ২২ জানুয়ারি প্রথম দফায় তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। পরে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দফায় তাকে আরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

 

মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজের পরে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওইদিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। পরবর্তীতে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

তদন্ত শেষে গত ৬ জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। তবে ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে গত ১৫ জানুয়ারি নারাজির আবেদন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। আগামী ২৫ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।

অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন, প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ থাকা সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু ও হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল , মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তার।

জয়পুরহাটে সরিষাক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

নিউজ প্রকাশ, মোঃ শামিম হোসেন
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫০ পূর্বাহ্ণ
জয়পুরহাটে সরিষাক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

জয়পুরহাটে সরিষাক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

জয়পুরহাটে একটি সরিষাক্ষেত থেকে তাইফ হাসান (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার দুপুরে জয়পুরহাট পৌর শহরের পূর্ব দেবীপুর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান।

নিহত তাইফ হাসান নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার কালুপাড়া গ্রামের মৃত তুহিন হোসেনের ছেলে।

সে জগদুল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
ওসি আনিছুর রহমান জানান, তাইফ হাসান গতকাল শনিবার তার মায়ের সঙ্গে বাসযোগে ঢাকা থেকে জয়পুরহাট শহরে আসে। পরে পানি পান করার কথা বলে সে নিখোঁজ হয়। রবিবার দুপুরে পূর্ব দেবীপুর এলাকার একটি সরিষাক্ষেতে লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধ করে তাইফ হাসানকে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নওগাঁয় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

আরিফুল ইসলাম রনক, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
নওগাঁয় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

নওগাঁয় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

আরিফুল ইসলাম রনক, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর আত্রাইয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের উত্তরবিল (দরগাপাড়া) এলাকায় গ্রামবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুলিশের সাথে গোপন সম্পর্ক থাকায় কোন প্রকার তদন্ত ছাড়া মামলা রুজু করা হয়েছে এবং নিরপরাধ ব্যাক্তিকে ফাসানো হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারী উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামে দুলালীর সাথে একই গ্রামের মিঠুর সাথে সীমানার প্রাচীর নিয়ে কাথা কাটাকাটি হয়। এরপর দুলালির ছেলে দুলালিকে ঘটনাস্থলে থেকে চলে যেতে বলে। দুলালি না গেলে তার ছেলের সাথে তার কথাকাটাকাটি হয় এবং ছেলে তাকে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনার পর দুলালি থানায় গিয়ে মিঠু সহ তিন জনের নামে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর দুলালি এলাকার সবাইকে ভয় দেখিয়ে নিষেধ করে, কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললে তার নামেও মামলা দেওয়া হবে। মামলার পর পুলিশ কোন তদন্ত ছাড়াই মিঠুকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর মামলার ভয়ে এলাকাবাসী গ্রামে থাকতে ভয় পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
মানববন্ধনে ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের জন প্রতিনিধি বুলু বলেন, এলাকাবাসী অনেক বার তাদের সঙ্গে বসেছে কিন্তু দুলালী কারো কোন কথা না শুনে সবাইকে ভয়ভীতি দেখায়। মিঠু নামের যে ছেলেকে ফাসানো হয়েছে সে অনেক ভালো ছেলে, কারো সাথে অন্যায় কাজ করেনি। কিন্তু তাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফাসানো হয়েছে। এস আই এর সাথে দুলালীর কি সম্পর্ক আছে যে, সে মাঝে মধ্যে এখানে এসে সময় দেয়। তার জন্যই দুলালী এত সাহস পায়।
মাজহারুল বলেন, দুলালী প্রতিনিয়ত এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখায়। তার বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে চাইলে মামলার ভয়ে কেউ কথা বলতে চায় না।

লতা বলেন, দুলালীর পুলিশ ও ম্যাজিস্টেটের সাথে কি সম্পর্ক আছে আমরা বুঝতে পারছি না। কেউ কোন কিছু বললেই তাদের ভয় দেখিয়ে সবাইকে চুপ করাতে চায়। তার জন্য আমরা এলাকায় সস্তিতে থাকতে পারছি না।

আত্রাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) শাহাজাদুল জানান, আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ন অভিযোগ মিথ্যা। তদন্তের জন্য আমি সেখানে গিয়েছি অন্য কোন উদ্দেশ্যে যাইনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে দুলালীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুল করিম ঘটনার বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হয়নি।

ব্রেকিং নিউজ