খুঁজুন
সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১৯ মাঘ, ১৪৩২

মাদারগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ

হৃদয় হাসান মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ

মাদারগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের শতাধিক নেতাকর্মীর

পদত্যাগ
হৃদয় হাসান
মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি :

দলীয় শৃঙ্খলা, নীতি ও আদর্শ থেকে সরে আসার অভিযোগ তুলে জামালপুরের মাদারগঞ্জে গণঅধিকার পরিষদের জেলা, উপজেলা ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী পদত্যাগ করেছেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে মাদারগঞ্জ মডেল থানার সংলগ্ন একটি ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে পদত্যাগকারী নেতারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দলের ভেতরে শৃঙ্খলা, নীতিগত অবস্থান ও আদর্শিক রাজনীতির ঘাটতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এসব কারণে জামালপুর জেলা যুব অধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল মন্ডল, মাদারগঞ্জ উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি জাকিরম্নল ইসলাম জাকির, মেলান্দহ উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব শাহিন আলম, মাদারগঞ্জ উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম হিরার নেতৃত্বে জেলা, উপজেলা ও সহযোগী সংগঠনের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী পদত্যাগ করেন। এ তালিকায় প্রবাসী অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন।
মাদারগঞ্জ উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি জাকিরম্নল ইসলাম জাকির বলেন, “বিগত ছয়-সাত বছর ধরে তৃণমূল পর্যায়ে শ্রম দিয়ে দলটি গড়ে তুলেছি। ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের যে আদর্শ ও রাজনীতি দেখেছি, বর্তমান দলীয় অবস্থান তা থেকে অনেকটাই সরে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “জামালপুর-৩ আসনে প্রথমে প্রার্থী ঘোষণা করে মাত্র ১৫ মিনিটের ব্যবধানে তা পরিবর্তন করা হয়। সারা দেশে ৯৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণার বিষয়ে আমরা সন্তুষ্ট থাকলেও হঠাৎ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন মেনে নিতে পারিনি।”
নেতাদের ভাষ্য, এসব বিষয়ে প্রায় ১৫০ জন নেতাকর্মী কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আপত্তি জানালেও তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়নি। এতে দলীয় সিদ্ধান্তহীনতা ও আদর্শগত দুর্বলতা স্পষ্ট হওয়ায় তারা হতাশ হয়ে পড়েন।
পদত্যাগের পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে নেতারা জানান, দলীয় নীতিগত ও আদর্শিক অবস্থান থেকে সরে আসাই তাদের পদত্যাগের মূল কারণ। বর্তমানে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তারা কোনো সিদ্ধান্ত নেননি বলেও জানান।
পদত্যাগকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন—জামালপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি আল আমিন মন্ডল, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, জেলা যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস. সি. শহীদ আহম্মেদ, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল কাইয়ুম, কর্ম ও সমবায় সম্পাদক সুমন শেখ, মেলান্দহ গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক জাকারিয়া আহম্মেদ পলাশ, মেলান্দহ যুব অধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি রিপন মাহমুদসহ প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী।
এ বিষয়ে জামালপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বলেন, “যারা পদত্যাগ করেছেন, তারা প্রকৃত অর্থে দলকে বুকে ধারণ করেননি। তাদের চলে যাওয়ায় দলের ওপর কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না।” তিনি আরও বলেন, সংগঠন আগের মতোই কার্যক্রম চালিয়ে যাবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে আরও শক্তিশালী করা হবে।

ওসমান হাদি হত্যায় গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেলের দায় স্বীকার

প্রতিবেদক রাসেল মাহমুদ রংপুর
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:১৮ পূর্বাহ্ণ
ওসমান হাদি হত্যায় গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেলের দায় স্বীকার

ওসমান হাদি হত্যায় গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেলের দায় স্বীকার

প্রতিবেদক
রাসেল মাহমুদ রংপুর

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর বন্ধু রুবেল আহমেদ আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) আদালত সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রিমান্ড শেষে আসামি রুবেলকে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় আসামি রুবেল স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আবদুর কাদির ভূঁঞা তার জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার জবানবন্দি রেকর্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

এর আগে গত ২১ জানুয়ারি মধ্যরাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আটি নয়াবাজার এলাকা থেকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি।

পরদিন ২২ জানুয়ারি প্রথম দফায় তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। পরে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দ্বিতীয় দফায় তাকে আরও ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

 

মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলে জুমার নামাজের পরে নির্বাচনী প্রচারণা শেষ করেন হাদি। এরপর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে ওইদিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে হাদিকে বহনকারী অটোরিকশা পল্টন মডেল থানাধীন বক্স কালভার্ট এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতকারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অপারেশন শেষে এভারকেয়ার পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান। পরবর্তীতে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।

তদন্ত শেষে গত ৬ জানুয়ারি সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। তবে ডিবি পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ জানিয়ে গত ১৫ জানুয়ারি নারাজির আবেদন করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন। আগামী ২৫ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।

অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিরা হলেন, প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তার বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, মো. কবির, মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ভারতে পালাতে সহায়তার অভিযোগ থাকা সিবিয়ন দিউ, সঞ্জয় চিসিম, মো. আমিনুল ইসলাম ওরফে রাজু ও হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার মো. ফয়সাল , মো. আলমগীর হোসেন ওরফে আলমগীর শেখ, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ স্নাল, মুক্তি মাহমুদ ও জেসমিন আক্তার।

জয়পুরহাটে সরিষাক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

নিউজ প্রকাশ, মোঃ শামিম হোসেন
প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:৫০ পূর্বাহ্ণ
জয়পুরহাটে সরিষাক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

জয়পুরহাটে সরিষাক্ষেত থেকে স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার

জয়পুরহাটে একটি সরিষাক্ষেত থেকে তাইফ হাসান (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার দুপুরে জয়পুরহাট পৌর শহরের পূর্ব দেবীপুর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিছুর রহমান।

নিহত তাইফ হাসান নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার কালুপাড়া গ্রামের মৃত তুহিন হোসেনের ছেলে।

সে জগদুল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।
ওসি আনিছুর রহমান জানান, তাইফ হাসান গতকাল শনিবার তার মায়ের সঙ্গে বাসযোগে ঢাকা থেকে জয়পুরহাট শহরে আসে। পরে পানি পান করার কথা বলে সে নিখোঁজ হয়। রবিবার দুপুরে পূর্ব দেবীপুর এলাকার একটি সরিষাক্ষেতে লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শ্বাসরোধ করে তাইফ হাসানকে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নওগাঁয় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

আরিফুল ইসলাম রনক, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ণ
নওগাঁয় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

নওগাঁয় মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর মানববন্ধন

আরিফুল ইসলাম রনক, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর আত্রাইয়ে মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানি মূলক মামলা দায়ের করার প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার হাটকালুপাড়া ইউনিয়নের উত্তরবিল (দরগাপাড়া) এলাকায় গ্রামবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুলিশের সাথে গোপন সম্পর্ক থাকায় কোন প্রকার তদন্ত ছাড়া মামলা রুজু করা হয়েছে এবং নিরপরাধ ব্যাক্তিকে ফাসানো হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, গত ২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারী উপজেলার দরগাপাড়া গ্রামে দুলালীর সাথে একই গ্রামের মিঠুর সাথে সীমানার প্রাচীর নিয়ে কাথা কাটাকাটি হয়। এরপর দুলালির ছেলে দুলালিকে ঘটনাস্থলে থেকে চলে যেতে বলে। দুলালি না গেলে তার ছেলের সাথে তার কথাকাটাকাটি হয় এবং ছেলে তাকে আঘাত করে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। ঘটনার পর দুলালি থানায় গিয়ে মিঠু সহ তিন জনের নামে থানায় মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর দুলালি এলাকার সবাইকে ভয় দেখিয়ে নিষেধ করে, কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বললে তার নামেও মামলা দেওয়া হবে। মামলার পর পুলিশ কোন তদন্ত ছাড়াই মিঠুকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের পর মামলার ভয়ে এলাকাবাসী গ্রামে থাকতে ভয় পাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা।
মানববন্ধনে ইউনিয়নের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডের জন প্রতিনিধি বুলু বলেন, এলাকাবাসী অনেক বার তাদের সঙ্গে বসেছে কিন্তু দুলালী কারো কোন কথা না শুনে সবাইকে ভয়ভীতি দেখায়। মিঠু নামের যে ছেলেকে ফাসানো হয়েছে সে অনেক ভালো ছেলে, কারো সাথে অন্যায় কাজ করেনি। কিন্তু তাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ফাসানো হয়েছে। এস আই এর সাথে দুলালীর কি সম্পর্ক আছে যে, সে মাঝে মধ্যে এখানে এসে সময় দেয়। তার জন্যই দুলালী এত সাহস পায়।
মাজহারুল বলেন, দুলালী প্রতিনিয়ত এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখায়। তার বিরুদ্ধে কোন কথা বলতে চাইলে মামলার ভয়ে কেউ কথা বলতে চায় না।

লতা বলেন, দুলালীর পুলিশ ও ম্যাজিস্টেটের সাথে কি সম্পর্ক আছে আমরা বুঝতে পারছি না। কেউ কোন কিছু বললেই তাদের ভয় দেখিয়ে সবাইকে চুপ করাতে চায়। তার জন্য আমরা এলাকায় সস্তিতে থাকতে পারছি না।

আত্রাই থানার পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) শাহাজাদুল জানান, আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ন অভিযোগ মিথ্যা। তদন্তের জন্য আমি সেখানে গিয়েছি অন্য কোন উদ্দেশ্যে যাইনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে দুলালীর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুল করিম ঘটনার বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হয়নি।

ব্রেকিং নিউজ