খুঁজুন
বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৪ চৈত্র, ১৪৩২

নওগাঁয় ভালোবেসে বিয়ে, স্ত্রীকে স্টেশনে রেখে গহনা নিয়ে উধাও স্বামী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৮ পূর্বাহ্ণ
নওগাঁয় ভালোবেসে বিয়ে, স্ত্রীকে স্টেশনে রেখে গহনা নিয়ে উধাও স্বামী

নওগাঁয় ভালোবেসে বিয়ে, স্ত্রীকে স্টেশনে রেখে গহনা নিয়ে উধাও স্বামী

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের পর পালিয়ে বিয়ে। কিন্তু সেই বিয়ের কয়েক দিনের মধ্যেই স্ত্রীকে স্টেশনে রেখে তার গহনা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

থানা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুর জেলার পশ্চিম গৌরিপাড়া এলাকার মো. আলাউদ্দিনের মেয়ে মোছা. ফারজানা শিমি (২৫) দীর্ঘদিন ধরে নওগাঁ শহরের উকিলপাড়া মহল্লার বাসিন্দা মো. মজলু হোসেনের ছেলে নূর মোহাম্মদ (৩১) এর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে তাদের মধ্যে এই সম্পর্ক চলছিল।

গত ৫ মার্চ পরিবারের অমতে তারা পালিয়ে গিয়ে রাজশাহীতে পাঁচ লাখ টাকা দেনমোহরে রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন। বিয়ের পর নূর মোহাম্মদ স্ত্রীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সান্তাহার পর্যন্ত ট্রেনে নিয়ে আসেন। তবে সেখানে এসে শিমির গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ও কানের দুল নিয়ে তাকে স্টেশনে রেখে হঠাৎই পালিয়ে যান।

স্বামীকে খুঁজে না পেয়ে পরে শিমি বিভিন্নভাবে নূর মোহাম্মদের ঠিকানা সংগ্রহ করে নওগাঁ শহরের উকিলপাড়া এলাকায় তার বাড়িতে যান। কিন্তু সেখানে গিয়ে তিনি উল্টো অস্বীকার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মুখে পড়েন বলে অভিযোগ করেছেন।

ভুক্তভোগী ফারজানা শিমি জানান, ২০১৫ সালে দিনাজপুরে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। সেই পরিচয় থেকেই ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে পারিবারিকভাবে তার অন্যত্র বিয়ে হলেও নূর মোহাম্মদ তাকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে সেই সংসার টিকতে দেননি। একপর্যায়ে পরিবারের অমতের আশঙ্কায় তারা পালিয়ে গিয়ে রাজশাহীতে বিয়ে করেন।

শিমির অভিযোগ, বিয়ের পর তাকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দিয়ে সান্তাহার স্টেশনে এনে তার গহনা নিয়ে নূর মোহাম্মদ পালিয়ে যান। এরপর থেকে বিভিন্নভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। যেকোন উপায়ে স্বামীর সাথে সংসার করতে চায় সে।

এ বিষয়ে প্রতিবেদক নওগাঁ শহরের উকিলপাড়া মহল্লার সুইচগেট এলাকায় নূর মোহাম্মদের বাড়িতে গেলে চঞ্চল নামের এক ব্যক্তি বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়ে সাংবাদিকের পথরোধ করেন এবং জানান, বাড়িতে কেউ নেই। ফলে ভেতরে প্রবেশ করে পরিবারের কারও সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

নূর মোহাম্মদের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও সেটি বন্ধ থাকায় তার বক্তব্যও নেওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নওগাঁ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নিয়ামুল হক বলেন, নওগাঁর এক যুবক ও দিনাজপুরের এক তরুণী পালিয়ে গিয়ে রাজশাহীতে বিয়ে করেছেন। পরে ছেলেটি মেয়েটিকে রেখে বাড়িতে চলে আসে। মেয়েটি ছেলের বাড়িতে উঠতে না পেরে থানায় এসেছিল। ঘটনাটি অন্য জেলার হওয়ায় তাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে র‌্যাবের রোস্টার টহল জোরদার ‎

MD Arif Hussain
প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ
ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে র‌্যাবের রোস্টার টহল জোরদার ‎
  • ঈদযাত্রা নিরাপদ রাখতে র‌্যাবের রোস্টার টহল জোরদার

    ‎মোঃ আরিফ হোসেন।
    ‎নোয়াখালী প্রতিনিধি।

    ‎পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরকে সামনে রেখে নোয়াখালী জেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩। ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধ এবং ঈদকেন্দ্রিক কেনাকাটায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন ও টহল কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে।

    ‎মঙ্গলবার দুপুর ৩ টায় চৌমুহনী পৌরসভা বাস টার্মিনালে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিষয়টি অবগত করেন র‌্যাব-১১, সিপিসি-৩, নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত।

    ‎এসময় তিনি জানান,নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন র‌্যাবের নিয়মিত টহল পরিচালিত হচ্ছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আকস্মিক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে, যাতে ঈদযাত্রায় কোনো ভোগান্তি না হয়। বর্তমানে নোয়াখালী জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং হাইওয়েতে যান চলাচল নির্বিঘ্ন রয়েছে।

    তিনি আরো বলেন, ঈদকে সামনে রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছি। যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। চুরি, ছিনতাই, ডাকাতি, ধর্ষণ ও খুনসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে র‌্যাবের নিয়মিত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ দেখলে নিকটস্থ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত জানানোর জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। যে কোন অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

​রূপগঞ্জে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিসের উদ্বোধন: স্বস্তিতে ফিরবে ঈদে ঘরমুখো মানুষ

MD Rashedul Islam Rashed
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
​রূপগঞ্জে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিসের উদ্বোধন: স্বস্তিতে ফিরবে ঈদে ঘরমুখো মানুষ


​রূপগঞ্জে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিসের উদ্বোধন: স্বস্তিতে ফিরবে ঈদে ঘরমুখো মানুষ

​মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ , রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

​ আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বর্তমান সরকারের জনবান্ধব কর্মসূচির অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শিমুলিয়ায় বিশেষ লঞ্চ সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে উপজেলার কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন ট্যুরিস্ট ঘাটে নৌ-পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এই সার্ভিসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। শীতলক্ষ্যা নদীর এই পয়েন্ট থেকে চাঁদপুর ও বরিশাল রুটে লঞ্চ চলাচলের মধ্য দিয়ে নরসিংদী, গাজীপুর ও উত্তরা এলাকার যাত্রীদের যাতায়াতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। এর ফলে ঢাকা সদরঘাট টার্মিনালের ওপর চাপ অনেকাংশে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের যাতায়াত সহজ ও আরামদায়ক করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁরই নির্দেশে জনগণের ভোগান্তি কমাতে আমরা এই বিকল্প রুটটি চালু করেছি। বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলেও যাত্রী চাহিদার ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে একে স্থায়ী রূপ দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা।
​কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন সকাল ৮টা ও ৯টায় শিমুলিয়া ঘাট থেকে চাঁদপুরের উদ্দেশ্যে এবং সকাল ৮টায় বরিশালের উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাবে। বর্তমানে ‘এমভি সমতা অ্যান্ড সমৃদ্ধি এক্সপ্রেস’, ‘এমভি সমতা সমৃদ্ধি-১’ এবং ‘এমভি রাজারহাট-বি’ লঞ্চগুলো এই রুটে নিয়মিত চলাচল করবে। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রীদের সুবিধার্থে ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ঘাটে বিনামূল্যে ‘কুলি সেবা’ বা পোর্টার সুবিধা প্রদান করা হবে। এ ছাড়া বয়স্ক ও অসুস্থ যাত্রীদের জন্য সার্বক্ষণিক হুইলচেয়ারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঘাট এলাকায় নৌ-পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের বিশেষ টিম মোতায়েন থাকবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম। এই সার্ভিস চালু হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে এবং তারা মনে করছেন, সড়কপথের যানজট এড়িয়ে নৌ-পথে এটি একটি স্বস্তিদায়ক যাতায়াতের মাধ্যম হবে।

‎নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ আজাদ ‎

MD Arif Hussain
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
‎নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ আজাদ ‎
  1. ‎নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ আজাদ

    ‎ ‎মোঃ আরিফ হোসেন।

    ‎ নোয়াখালী প্রতিনিধি।

    নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে নিযুক্ত হয়েছেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব আলহাজ্ব হারুনুর রশিদ আজাদ। রবিবার (১৫ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে দেশের ৪২ টি জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়।

    ‎জানা যায়, জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম সক্রিয় রাখা এবং স্থানীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতেই এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, ক্রীড়াসংগঠক ও সমাজসেবক আলহাজ্ব হারুনর রশীদ আজাদ।

    ‎হারুনুর রশিদ আজাদ এ নিয়োগ পাওয়ার পর তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করতে গিয়ে ইনকিলাবকে বলেন, নানা কারণে নোয়াখালী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন জেলা। জেলা পরিষদের মাধ্যমে জেলার সার্বিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে সকলকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে স্বচ্ছতা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করব।সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আমিও আশা করছি এবং জনসাধারণেরও প্রত্যাশা এমন।

    ‎প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ পালনে চেষ্টা করব। এ জন্য জেলা বাসীর দোয়া ও সহযোগিতা চাই। নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত হওয়া হারুন অর রশিদ আজাদের ছাত্রদলের রাজনীতি দিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু। জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

    ‎সেই থেকে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের উত্থান। একাধারে তিনি দু’বার নোয়াখালী পৌরসভা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন।পরবর্তীতে নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি তিনি দু’বার নোয়াখালী পৌরসভার নির্বাচিত মেয়র হয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রেকিং নিউজ