খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২ চৈত্র, ১৪৩২

স্বামীর গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, রূপগঞ্জে যুবদল নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ
স্বামীর গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, রূপগঞ্জে যুবদল নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

স্বামীর গলায় ছুরি ধরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ, রূপগঞ্জে যুবদল নেতার ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, রূপগঞ্জ,নারায়ণগঞ্জঃ

 

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক লোমহর্ষক ও নৃশংস ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) ভোরে উপজেলার তারাবো পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের যাত্রামুড়া বৌ-বাজার এলাকায় এই পৈশাচিক ঘটনাটি ঘটে। আফজাল খাঁন নামের এক যুবক ও তার অজ্ঞাতনামা এক সহযোগী মিলে স্বামীর গলায় ধারালো ছুরি ধরে এক গৃহবধূকে (২৪) পালাক্রমে ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আফজাল খাঁন ওই এলাকার মৃত মহিজ উদ্দিনের ছেলে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, অভিযুক্ত আফজাল খাঁন ও তার সঙ্গী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভোরে আনিছ মিয়ার ভাড়াটিয়া বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা অতর্কিতভাবে ভুক্তভোগী গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে এবং গলায় ছুরি ঠেকিয়ে জিম্মি করে ফেলে। এসময় ওই নারীর স্বামী শহিদুল ইসলাম (২৬) ঘরে প্রবেশ করলে আফজাল তাকেও হত্যার হুমকি দেয়। আফজাল স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, তাদের কথামতো কাজ না করলে স্বামীসহ ঘরে ঘুমিয়ে থাকা সাড়ে তিন বছরের শিশু পুত্র জুনাইদকে তারা জ্যান্ত মেরে ফেলবে। এরপর প্রাণভয়ে আতঙ্কিত স্বামীর গলায় ছুরি ধরে রেখে প্রথমে অজ্ঞাতনামা ওই ব্যক্তি এবং পরে আফজাল খাঁন পর্যায়ক্রমে ওই নারীকে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর আফজাল তার বড় ভাই মোঃ রমজান খাঁন তারাবো পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি বলে দম্ভোক্তি করে এবং বিষয়টি নিয়ে কাউকে জানালে সপরিবারে হত্যার হুমকি দেয়। চলে যাওয়ার সময় তারা ওই দম্পতির ব্যবহৃত একটি রেডমি-১০ মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত আফজালের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: সবজেল হোসেন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, এই ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া

হবে।

 

দেশজুড়ে বেপোরোয়া বাইকারদের উৎপাত, কাচারিঘাটে ধাক্কায় পথচারী মৃত্যুশয্যায়; নিসআ’র প্রতিবাদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৩:০৯ অপরাহ্ণ
দেশজুড়ে বেপোরোয়া বাইকারদের উৎপাত, কাচারিঘাটে ধাক্কায় পথচারী মৃত্যুশয্যায়; নিসআ’র প্রতিবাদ
  1. দেশজুড়ে বেপোরোয়া বাইকারদের উৎপাত, কাচারিঘাটে ধাক্কায় পথচারী মৃত্যুশয্যায়; নিসআ’র প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ময়মনসিংহ নগরীর ব্যস্ততম কাচারিঘাট এলাকায় কিছুক্ষণ আগে এক বেপরোয়া বাইকারের ধাক্কায় এক পথচারী গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুশয্যায় রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পথচারীকে সজোরে ধাক্কা দেয়। পরে স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভিকটিমের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। বাইকারের পরিচয়ও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে বেপরোয়া বাইকারদের উৎপাত আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। হাসপাতাল ও ট্রমা সেন্টার সংশ্লিষ্টদের দাবি, সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের একটি বড় অংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার।

অতিরিক্ত গতি, সড়কে রেসিং এবং স্টান্টবাজির মতো ঝুঁকিপূর্ণ প্রবণতা ক্রমেই বাড়ছে। তবে এসব নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (নিসআ)-এর ময়মনসিংহ সদর শাখার সভাপতি দেবদূত কর তীর্থ বলেন, “শহরসহ দেশব্যাপী বেপরোয়া বাইকারদের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। তাদের অনেকেরই বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই।প্রতিযোগিতামূলক গতিতে চালিয়ে তারা নিজেরা যেমন দুর্ঘটনায় জড়াচ্ছে, তেমনি সাধারণ পথচারীদেরও ঝুঁকিতে ফেলছে। এছাড়া সাইলেন্সার পরিবর্তনের মাধ্যমে তারা তীব্র শব্দদূষণও সৃষ্টি করছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।”

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে বরকে জ্বালানি তেল উপহার 

M.A Salam
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে বরকে জ্বালানি তেল উপহার 

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের অনুষ্ঠানে বরকে জ্বালানি তেল উপহার

এম এ সালাম রুবেল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

সম্প্রতি সারাদেশজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহে টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে ঠাকুরগাঁওয়েও। জেলার অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে মিলছে না তেল। দৈনিক একটি পাম্পে সীমিত পরিমাণে পাওয়া গেলেও  সড়কজুড়ে লম্বা লাইন।  ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে ভোক্তাদের। এমন বাস্তবতায় ঠাকুরগাঁওয়ের এক বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা গেল ভিন্নধর্মী এক চিত্র।

সদর উপজেলার বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের রাজাপুকুরে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে বরকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে ৫ লিটার অকটেন। যা উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে সৃষ্টি করে হাস্যরস ও কৌতূহল। অনেকেই এটিকে সময়োপযোগী ও বাস্তবধর্মী উপহার হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাসান রায়হান নামে এক অতিথি বলেন, এখনকার সময়ে জ্বালানি তেলই সবচেয়ে দামী ও প্রয়োজনীয় জিনিস। তাই এমন উপহার সত্যিই ব্যতিক্রমী।

জামালি নামে আরেকজন,এটা যেমন মজার, তেমনি বর্তমান পরিস্থিতির একটি প্রতিফলনও বটে। এই ঘটনা শুধু হাসির খোরাক নয়, বরং চলমান জ্বালানি সংকটের চিত্রও তুলে ধরে। যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যটি এখন মানুষের কাছে প্রায় ‘সোনার হরিণে’ পরিণত হয়েছে।

অকটেন উপহার দেওয়া ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম বলেন,পেট্রোল-অকটেন পেতে ভোগান্তি চরমে৷ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি তেল মিলছেনা৷ মানুষ দৈনন্দিন কাজ গুলো করতে পারছেননা৷ এমন সময়ে বর-কনে যাতে স্বস্তি আর স্বাচ্ছন্দে যাতায়াত করতে পারেন সেজন্য অকটেন উপহার দেওয়া হয়েছে৷ এটি সংকটের প্রতীকও বটে৷

বর রাতুল হাসান সাফি বলেন,বিয়েতে এটি খুবই ব্যতিক্রমী উপহার৷ অকটেন হলেও এটি সংকটময় মুহূর্তে কাজে লাগবে৷ যারা দিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

জ্বালানি তেলের এমন সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব পড়বে পরিবহন, কৃষি ও নিত্যপণ্যের বাজারে। ফলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই বিয়ের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যেই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্যতিক্রমী এই উপহার যেমন আনন্দের খোরাক জুগিয়েছে, তেমনি বর্তমান বাস্তবতার একটি স্পষ্ট বার্তাও পৌঁছে দিয়েছে সকলের মাঝে৷

মাদারগঞ্জে শতবর্ষী বালিজুড়ী ঈদমেলায় মানুষের ঢল

Ridoy Hasan
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জে শতবর্ষী বালিজুড়ী ঈদমেলায় মানুষের ঢল
  • মাদারগঞ্জে শতবর্ষী বালিজুড়ী ঈদমেলায় মানুষের ঢল

হৃদয় হাসান
মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি

বিদায়ী বসন্তের চঞ্চল হাওয়ায় চারদিকে বইছে ঈদ আনন্দের আমেজ। এমন আমেজে শিশু, তরুণ-তরুণীসহ নানা বয়সীরা যাচ্ছেন বালিজুড়ি এফএম উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের দিকে। নাগরদোলার কড়কড় আওয়াজ, বিচিত্র বাঁশি বা বাদ্যের আওয়াজ ছাপিয়ে কানে আসছে মানুষের হইহুল্লোড়।

বিশাল মাঠের বিভিন্ন জায়গায় চলছে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাক। ধোঁয়া উঠছে উত্তপ্ত কড়াই থেকে; ভাজা হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের গরম খাবার- জিলাপি, চিনির গজা, খুরমা, গুড়ের খইসহ বাহারি মিষ্টান্ন। ঈদ ঘিরে এবারও জমে উঠেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ী ইসলামিয়া ঈদ মেলা।

সকাল থেকে হরেক রকম দোকান সাজিয়ে বসলেও মেলা জমে ওঠে দুপুরের পরপর। মাঠে জনসমাগম থাকে প্রায় মধ্যরাত পর্যন্ত। স্থানীয় লোকজন জানান, শত বছরে ধরে চলা মেলাটি শুধু ঈদুল ফিতরের দিন থেকে ৭ দিনের জন্য বসে। এ সময় বিভিন্ন এলাকা থেকে দোকানিরা এ মেলায় আসেন। একেবারে শুরুর দিকে মেলায় শুধু ঐতিহ্যবাহী খাবারের কয়েকটি দোকান থাকলেও দিন দিন এর পরিধি ও সংখ্যা বেড়েছে। গ্রামটির বাসিন্দা ও ঈদের ছুটিতে এলাকায় আসা লোকজনই মূলত এসব পণ্যের ক্রেতা। শুধু তা–ই নয়, সারা জেলা থেকে অনেকেই সপরিবার ছুটে আসেন এ মেলায়।

মেলার প্রথমদিন শনিবার বিকেলে মেলায় গিয়ে দেখা যায়, মানুষের ঢল নেমেছে মেলার আশপাশের এলাকায়। শিশুরা অভিভাবকদের হাত ধরে তাড়াহুড়ো করে মেলার ভেতরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনার কমতি নেই। আর দোকানিরা তো ক্রেতা সামলাতে মহাব্যস্ত। মেলায় তিলধারণের ঠাঁই নেই।

প্রসাধনী, খাবার, খেলনা, মিঠাই-মিষ্টান্ন, কৃষিপণ্য, মাটির পণ্য, বাঁশ ও বেতের পণ্য, লোহার পণ্য, ফার্নিচারসহ বিভিন্ন ধরনের দুই শতাধিক দোকান আছে মেলায়। আছে চটপটি-ফুচকাসহ মুখরোচক নানা পদের খাবার দোকানও। শিশুদের বিনোদনের জন্য আছে নাগরদোলা, চরকি, দোলনাসহ নানা আয়োজন। সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন সাইজের ছোট-বড় মিষ্টি।

মেলায় সন্তানদের নিয়ে খেলনা কিনছিলেন বালিজুড়ি এলাকার আজগর আলী নামের এক ব্যক্তি। তিনি জানান, ঈদের মধ্যে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যান। এই মেলা ঈদকে আরও আনন্দময় করে তুলে। তিনি নিজেও ছোটবেলা থেকে এ মেলায় আসছেন। এখন বাড়ির ছোট সদস্যদের নিয়ে আসেন। বলা যায়, বংশপরম্পরায় এটি সবার কাছে প্রিয় মেলা।

এই মেলার উৎপত্তি নিয়ে সঠিক তথ্য দিতে পারেননি কেউ। আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা যায়, যুগ যুগ ধরে এই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের সময় উপজেলার যমুনার চরাঞ্চলে সন্ন্যাসীরা ঘাঁটি করেছিল। সেখানে সন্ন্যাসীরা মন্দির নির্মাণ করে পূজা করতেন। এ উপলক্ষে সেখানে মেলা হতো। ১৯২৫ সালে ঈদ ও পূজার মেলার একই দিনে হওয়ায় হিন্দু-মুসলিমদের দাঙ্গার উপক্রম হয়। তখন মুসলিম নেতারা বালিজুড়ি এফএম উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ঈদুল ফিতরের দিন ‘ইসলামি ঈদমেলা’ শুরু করেন। সেই থেকে প্রতিবছর মেলাটি ইসলামি ঈদমেলা নামে পরিচিত।

সেই পুরোনো ধারা বজায় রেখে এখনো প্রতিবছর ঈদুল ফিতরের প্রথম দিন থেকে সাত দিন মেলা বসে। পৌর এলাকার প্রবীণ বাসিন্দা আবদুর রহমান বলেন, ‘মেলায় যমুনার ওই পার থাইক্যা বগুড়ার দই আসত। ওই দইয়ের স্বাদ এখনো মুহে লাইগা আছে। তবে এহন আর ওই দই আহে না।’

গুনারিতলা এলাকার গৃহিণী রাবেয়া বেগম জানান, প্রতি ঈদেই মেলায় আসা হয়। দেখা যায়, আশপাশে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে এখানে দেখা হয়। মেলাটি এই অঞ্চলের মানুষের মধ্যে ঈদের আনন্দ আরও বাড়িয়ে দেয়। মেলায় তিলধারণের ঠাঁই নেই।

মেলায় সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা যায় খেলনার দোকান, যার প্রতিটিতেই ছিল শিশু-কিশোরদের ভিড়। আরেক পাশে দেখা যায় আচারের দোকান। কোনো দোকানে পাঁচমিশালি, চালতা-বরইয়ের মিষ্টি ও ঝাল আচার। আবার কোনোটাতে সাজানো তেঁতুল চাটনি, জলপাই চাটনি, আমড়ার চাটনি, আমফালির মতো ১৪ থেকে ১৫ পদের জিবে জল আসা সুস্বাদু চাটনির পসরা। আচার বিক্রেতা ইসমাইল হোসেন জানান, মেলায় তরুণী ও নারীদের সমাগম সবচেয়ে বেশি। ফলে বেচাবিক্রিও ভালো হচ্ছে। প্রতিবছরই এই মেলায় দোকান নিয়ে বসেন।

মেলা আয়োজকরা বলেন, ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দীপনায় মেলা জমে উঠেছে। বিশেষ করে দুপুরের পর নারী-পুরুষ ও শিশুদের ঢল নামে। আশা করছেন মেলাটি সুন্দরভাবেই শেষ হবে।

ব্রেকিং নিউজ