খুঁজুন
সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ২৩ চৈত্র, ১৪৩২

রূপগঞ্জে জনকণ্ঠের সংবাদদাতার ওপর হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:২৭ পূর্বাহ্ণ
রূপগঞ্জে জনকণ্ঠের সংবাদদাতার ওপর হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

 

রূপগঞ্জে জনকণ্ঠের সংবাদদাতার ওপর হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

রূপগঞ্জ(নারায়ণগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক সাংবাদিকের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের মঙ্গলখালী পশ্চিমপাড়া এলাকার বাইতুন নূর জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় শেষে মসজিদের গেটে দাঁড়ালে তার উপর এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিক মো. নূর আলম বলেন, তিনি দৈনিক জনকণ্ঠের রূপগঞ্জের নিজস্ব সংবাদদাতা হিসেবে কর্মরত। তার দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়। মসজিদের সামনে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা অভিযুক্তরা তার পথরোধ করে। এ সময় তারা ধারালো রামদা, চাপাতি, ছুরি, লোহার রড ও হকিস্টিক নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, হামলার এক পর্যায়ে প্রধান অভিযুক্ত মো. সিরাজুল ইসলাম অন্যদের নির্দেশ দেন তাকে হত্যা করতে। পরে মসজিদের মুসল্লিরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করলে প্রাণে রক্ষা পান। এ সময় হামলাকারীরা মামলা করলে হত্যার হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার পর স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন নূর আলম।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সিরাজুল ইসলাম, শাওন, শফিক, শহিদুল্লাহ, সানাউল্লাহ, ইমাম হোসেন শান্ত ও শিপুসহ অজ্ঞাত আরও ৭-৮ জনের বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)এ এইচ এম সালাউদ্দিন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার কালঞ্জা এলাকায় নদীর ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ কালঞ্জা ব্রিজের নিচে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার কালঞ্জা এলাকায় নদীর ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ কালঞ্জা ব্রিজের নিচে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
  • সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার কালঞ্জা এলাকায় নদীর ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ কালঞ্জা ব্রিজের নিচে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে করে ব্রিজের পিলারের নিচের মাটি কেটে ফেলার ফলে সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গভীর রাতে সংঘবদ্ধ একটি চক্র ব্রিজের নিচ থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। তবে কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে এখনো নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না।
    এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর সংশ্লিষ্ট সাব-ডিভিশন প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা ব্রিজের পাশ বা নিচ থেকে মাটি কাটার বিষয়টি বন্ধ করে দিচ্ছি।” তবে স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে এখনো এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।
    উল্লেখ্য, গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ৩৮টি পয়েন্টে নিলাম বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৩২ নম্বর পয়েন্টে কালঞ্জা ব্রিজ থেকে কালঞ্জা বাজার পর্যন্ত নির্ধারিত এলাকা উল্লেখ ছিল। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, নির্ধারিত সীমার বাইরে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা জুড়ে মাটি কাটা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
    এদিকে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, ব্রিজের নিচ বা সংলগ্ন এলাকা থেকে মাটি কাটার কোনো আইনগত অনুমোদন রয়েছে কি না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম সেতুর ভিত্তি দুর্বল করে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
    এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ-৬৪ (রায়গঞ্জ, তারাশ ও সলঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আইনুল হক বলেন, “অনৈতিকভাবে মাটি কাটার কোনো সুযোগ নেই। যে-ই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”
    এলাকাবাসী দ্রুত এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করে সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে তেল বিক্রি শুরু, লাইনে দাঁড়িয়ে চালকদের ভোগান্তি

Hasanuzzaman Mintu
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে তেল বিক্রি শুরু, লাইনে দাঁড়িয়ে চালকদের ভোগান্তি

ঠাকুরগাঁওয়ে ফুয়েল কার্ডে তেল বিক্রি শুরু, লাইনে দাঁড়িয়ে চালকদের ভোগান্তি

হাসিনুজ্জামান মিন্টু ,
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি তেল বিক্রিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চালু হয়েছে ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থা। তবে নতুন এই নিয়ম চালু হলেও সাধারণ মোটরসাইকেল চালকদের ভোগান্তি কমেনি। তেল নিতে অনেককেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

জেলা প্রশাসনের ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার (৫ এপ্রিল) থেকে ফুয়েল কার্ড ছাড়া কোনো যানবাহনকে জ্বালানি তেল দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত পেট্রোল ও অকটেন বিক্রির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে, তেল পেতে চালকদের ভোর থেকেই লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। অনেকেই সকাল ৪টা থেকে ফিলিং স্টেশনের সামনে অপেক্ষা করছেন। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ৯টায় তেল বিক্রি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কিছু কিছু স্টেশনে প্রায় ৪০ মিনিট দেরিতে সরবরাহ শুরু হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

প্রথম দিনে প্রতিটি মোটরসাইকেলকে ৫ লিটার করে তেল দেওয়ার কথা থাকলেও কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে নির্ধারিত পরিমাণের পরিবর্তে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় কয়েকজন মোটরসাইকেল চালক জানান, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কখন তেল পাওয়া যাবে সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই। এতে তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।

অন্যদিকে যাদের কাছে ফুয়েল কার্ড নেই, তারা অনেকেই ফিলিং স্টেশনে এসে তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে তেল বিক্রিতে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ এলেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে ফিলিং স্টেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, ফুয়েল কার্ড চালুর ফলে আগের তুলনায় পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তেল বিতরণ করা এখন সহজ হচ্ছে।

স্টেশনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তারা জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ফুয়েল কার্ড যাচাই করে কঠোরভাবে তেল দেওয়া হচ্ছে। বৈধ কাগজপত্র ছাড়া কোনোভাবেই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে না।

তবে চালকদের দাবি, শুধু নতুন নিয়ম চালু করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং লাইনের চাপ কমাতে প্রশাসনের আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

‎নোয়াখালী জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

MD Arif Hussain
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
‎নোয়াখালী জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত

নোয়াখালী জেলা পুলিশের মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত‎
‎মো:আরিফ হোসেন।
‎নোয়াখালী প্রতিনিধি।

‎পুলিশ লাইন্সে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার

‎নোয়াখালী জেলা পুলিশের আয়োজনে মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে জেলা পুলিশ লাইন্সের প্যারেড গ্রাউন্ডে পুলিশ অফিসার ও ফোর্সদের অংশগ্রহণে এ প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়।

‎প্যারেডে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন নোয়াখালীর পুলিশ সুপার টি এম মোশাররফ হোসেন।

‎এ সময় প্যারেড কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. লিয়াকত আকবর। এছাড়াও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‎প্যারেড শেষে পুলিশ সুপার সদস্যদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। তিনি পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং জনসেবার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

‎অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্যারেডে অংশগ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ ও শুভকামনা জানান পুলিশ সুপার। পরে তিনি অস্ত্রাগার ও যানবাহন শাখা পরিদর্শন করেন।

ব্রেকিং নিউজ