খুঁজুন
বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ২৫ চৈত্র, ১৪৩২

মাদারগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত

Ridoy Hasan
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২৯ পূর্বাহ্ণ
মাদারগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত

মাদারগঞ্জে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত

হৃদয় হাসান
মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি:

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস উপলক্ষে জামালপুরের মাদারগঞ্জে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার যৌথ আয়োজনে উপজেলা চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।দিবসটি উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় অংশগ্রহণকারীরা অংশ নেন।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী,সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঞা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাসেল দিও, মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকের আহমেদ,উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম,
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাজ উদ্দিন, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রুহুল আমিন, আইসিটি কর্মকর্তা এম.ই. সরোয়ার লিমন, একাডেমিক সুপারভাইজার শফিকুল হায়দারসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

বক্তারা ক্রীড়া চর্চার মাধ্যমে যুবসমাজকে সুস্থ ও শৃঙ্খলাবদ্ধ রাখতে নিয়মিত খেলাধুলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

পীরগঞ্জে কৃষিতে বৈচিত্র্য; জি-৯ কলা, শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ ও আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা

Sakib Ahsan
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
পীরগঞ্জে কৃষিতে বৈচিত্র্য; জি-৯ কলা, শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ ও আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা

পীরগঞ্জে কৃষিতে বৈচিত্র্য; জি-৯ কলা, শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ ও আঙুর চাষে নতুন সম্ভাবনা

সাকিব আহসান
প্রতিনিধি, পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও)

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় কৃষিতে বৈচিত্র্য আনতে নতুন নতুন ফসলের আবাদে এগিয়ে আসছেন কৃষকরা। বিশেষ করে জি-৯ জাতের কলা, শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ এবং বিভিন্ন জাতের আঙুর চাষ ইতোমধ্যে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার তথ্যমতে, এসব উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে কৃষির চিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, বর্তমানে উপজেলায় প্রায় ১০০ হেক্টর জমিতে জি-৯ জাতের কলার আবাদ করা হয়েছে। এটি মূলত সাগর কলার একটি উন্নত জাত, যার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো—গাছ থেকে কলা কাটার পরও ২০ থেকে ২৮ দিন পর্যন্ত পাকার প্রক্রিয়া ধীরগতিতে চলে। ফলে সংরক্ষণ ও পরিবহনে সুবিধা হয়, যা রপ্তানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক।
তিনি আরও বলেন, “এই জাতের কলা দীর্ঘ সময় ভালো অবস্থায় থাকে বলে দেশের বাইরে বাজারজাত করার সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে কৃষকেরা এখান থেকে ভালো লাভবান হতে পারবেন।”
অন্যদিকে, ‘ব্ল্যাক ডায়মন্ড’ হিসেবে পরিচিত শীতকালীন পেঁয়াজ বীজের আবাদও পীরগঞ্জে নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। বর্তমানে প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে এ পেঁয়াজ বীজ উৎপাদন করা হচ্ছে। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, এই বীজের বাজারমূল্য তুলনামূলক বেশি এবং ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে।
কৃষি কর্মকর্তা জানান, “কৃষকেরা যদি ন্যায্য মূল্য পান, তাহলে আগামী মৌসুমে এই পেঁয়াজ বীজের আবাদ আরও বিস্তৃত হবে। এটি স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাণিজ্যিকভাবে বড় বাজার তৈরি করতে পারে।”
এছাড়া উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ৮ থেকে ১০টি জাতের আঙুর চাষ শুরু হয়েছে, যা বর্তমানে প্রায় ৮০ শতক জমিতে বিস্তৃত। দেশের আবহাওয়ায় আঙুর চাষ কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হলেও আধুনিক পদ্ধতি ও প্রযুক্তির ব্যবহারে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, “প্রাথমিকভাবে ফলাফল আশাব্যঞ্জক। যদি উৎপাদন ভালো হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আঙুর চাষের পরিমাণ আরও বাড়ানো হবে।”
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, নতুন এসব ফসল চাষে শুরুতে কিছুটা ঝুঁকি থাকলেও কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহায়তায় তারা এগিয়ে আসছেন। বিশেষ করে লাভজনক বাজার নিশ্চিত হলে কৃষিতে এই পরিবর্তন আরও গতি পাবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, একক ফসলের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বহুমুখী চাষাবাদ কৃষকদের আর্থিক ঝুঁকি কমায় এবং আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করে। পীরগঞ্জে জি-৯ কলা, শীতকালীন পেঁয়াজ বীজ ও আঙুর চাষের এই উদ্যোগ সেই পথেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে বলা যায়, পরিকল্পিত উদ্যোগ, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে পীরগঞ্জের কৃষি খাত আগামী দিনে আরও সমৃদ্ধ ও টেকসই হয়ে উঠবে।

খুলনায় যুবদল নেতা মুরাদ খাঁ হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

Fahim Islam
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ
খুলনায় যুবদল নেতা মুরাদ খাঁ হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

খুলনায় যুবদল নেতা মুরাদ খাঁ হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

বিশেষ প্রতিনিধিঃ ফাহিম ইসলাম

খুলনার চাঞ্চল্যকর যুবদল নেতা মুরাদ খাঁ হত্যা মামলার পলাতক আসামি বাকা মাসুদ (৩৪) কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৬।
র‍্যাব জানায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক ব্যক্তিদের গ্রেফতারসহ সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনতে তারা কাজ করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (৬ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে র‌্যাব-৬ এর সিপিএসসি, সিপিসি-২ এবং ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্পের একটি যৌথ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাগুরার মোহাম্মদপুর থানার ঝামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকা থেকে বাকা মাসুদকে গ্রেফতার করে। সে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি এলাকার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত মুরাদ খাঁ (৪২) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্থানীয় নেতা ছিলেন। পূর্ব বিরোধের জেরে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে দিঘলিয়ার একটি এলাকায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র ও লোহার রড নিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখান থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া বাদী হয়ে দিঘলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য খুলনা জেলার রূপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার কালঞ্জা এলাকায় নদীর ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ কালঞ্জা ব্রিজের নিচে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার কালঞ্জা এলাকায় নদীর ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ কালঞ্জা ব্রিজের নিচে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
  • সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার কালঞ্জা এলাকায় নদীর ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ কালঞ্জা ব্রিজের নিচে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কিছু অসাধু ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এতে করে ব্রিজের পিলারের নিচের মাটি কেটে ফেলার ফলে সেতুটি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।
    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন গভীর রাতে সংঘবদ্ধ একটি চক্র ব্রিজের নিচ থেকে মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে। তবে কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, সে বিষয়ে এখনো নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট চক্রটি প্রভাবশালী হওয়ায় সাধারণ মানুষ ভয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে সাহস পাচ্ছেন না।
    এ বিষয়ে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর সংশ্লিষ্ট সাব-ডিভিশন প্রকৌশলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমরা ব্রিজের পাশ বা নিচ থেকে মাটি কাটার বিষয়টি বন্ধ করে দিচ্ছি।” তবে স্থানীয়দের দাবি, বাস্তবে এখনো এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।
    উল্লেখ্য, গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ৩৮টি পয়েন্টে নিলাম বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৩২ নম্বর পয়েন্টে কালঞ্জা ব্রিজ থেকে কালঞ্জা বাজার পর্যন্ত নির্ধারিত এলাকা উল্লেখ ছিল। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, নির্ধারিত সীমার বাইরে প্রায় ৫০০ মিটার এলাকা জুড়ে মাটি কাটা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
    এদিকে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, ব্রিজের নিচ বা সংলগ্ন এলাকা থেকে মাটি কাটার কোনো আইনগত অনুমোদন রয়েছে কি না। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম সেতুর ভিত্তি দুর্বল করে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
    এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ-৬৪ (রায়গঞ্জ, তারাশ ও সলঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আইনুল হক বলেন, “অনৈতিকভাবে মাটি কাটার কোনো সুযোগ নেই। যে-ই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।”
    এলাকাবাসী দ্রুত এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করে সেতুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
ব্রেকিং নিউজ