দোয়েল নিউজ ডেস্ক | ঢাকা
জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং নতুন অন্তর্বর্তী ব্যবস্থার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে কে হবে রাজপথের নতুন শক্তি—এই প্রশ্নের মধ্যে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হলো হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের গ্র্যান্ড র্যালি। বিশাল জমায়েত, কঠোর ভাষার বক্তব্য আর ঘোষিত ১২ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে নতুন করে আলোচনায় এসেছে এই কওমি-ভিত্তিক ইসলামী সংগঠনটি।
রাজনীতির বিশ্লেষকদের অনেকে বলছেন, এটাই ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের পর হেফাজতের সবচেয়ে বড় শোডাউন, যা জুলাই বিপ্লব–পরবর্তী ক্ষমতার ভ্যাকুয়ামে তাদের পুনরুত্থানের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সোহরাওয়ার্দীতে জনস্রোত: ২০১৩–এর স্মৃতি ফিরল
সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মাদরাসা শিক্ষার্থী ও সমর্থকরা জড়ো হতে থাকেন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। পরিবহন ধর্মঘট ও বিভিন্ন বাধা–বিপত্তির অভিযোগের মধ্যেও অনুষ্ঠানস্থলের আশপাশে দেখা যায় ঘন মানবসমুদ্র।
র্যালিমঞ্চে একে একে বক্তব্য রাখেন হেফাজতের শীর্ষস্থানীয় নেতারা।
তাদের বক্তব্যে প্রধান যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে—
-
জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্বীকৃতি ও বিচার,
-
শাপলা চত্বর ট্রাজেডির বিচার,
-
এবং ইউনুস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের নানা নীতির তীব্র সমালোচনা।
বক্তারা অভিযোগ করেন,
“জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে যে স্বৈরাচারী শাসনের পতন হলো, এখন সেই বিপ্লবের আদর্শ বাস্তবায়নের বদলে পশ্চিমা এনজিও ও বিদেশি প্রভুদের এজেন্ডা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।”

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ । ৯:৩৬ অপরাহ্ণ