গত ১৯ নভেম্বর ২০২৫ দৈনিক ভোরের কাগজের সাংবাদিক সোহেল তার সাংবাদিক দায়িত্ব পালন করার সময় হঠাৎ আটক হন। সোহেল অভিযোগ করেছেন, তার এই আটকের পেছনে একজন উপদেষ্টার সরাসরি ইশারা ছিল। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে তিনি কেবল সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা বাধা সৃষ্টি করেননি।
সোহেল বলেন, “সেদিন আমাকে হঠাৎ থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে জানতে পারি, একজন উপদেষ্টার ইশারাতেই আমাকে আটক করা হয়েছিল। আমি শুধু আমার দায়িত্ব পালন করছিলাম।”
ঘটনার পর সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের আচরণ সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনের সময় অযৌক্তিকভাবে আটক করা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় স্পষ্ট বাধা সৃষ্টি করে এবং জনসাধারণের তথ্য পাওয়ার অধিকারও ক্ষুণ্ন করে।
মানবাধিকার কর্মীরাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, সাংবাদিকদের হয়রানি বন্ধ করতে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে দ্রুত তদন্ত প্রয়োজন। তারা মনে করেন, এটি শুধু একজন সাংবাদিকের নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য সতর্কবার্তা।
সাংবাদিক সোহেল ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না এই প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন। তিনি আশা করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সংবাদমাধ্যমের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করবে, যাতে সাংবাদিকরা স্বাধীনভাবে এবং নিরাপদে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।
এই ঘটনা দেশের সাংবাদিক স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের গুরুত্ব নিয়ে নতুন বিতর্ক উত্থাপন করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সত্য প্রকাশে বাধা এবং সরকারি বা সরকারি-সম্পর্কিত চাপ দেশকে তথ্যহীন ও অস্বচ্ছ করতে পারে।

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ । ১:০৫ অপরাহ্ণ