যারা বলেছিল ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিরুদ্ধে না দেওয়ার জন্য সংস্কারের প্রশ্নে, কিন্তু জনগণের এত চাপে না এখন ‘হ্যাঁ’ হয়ে গেছে

মো নাজিম উদ্দীন কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশের সময়: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ । ১১:১৭ অপরাহ্ণ

যারা বলেছিল ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিরুদ্ধে না দেওয়ার জন্য সংস্কারের প্রশ্নে, কিন্তু জনগণের এত চাপে না এখন ‘হ্যাঁ’ হয়ে গেছে

মো নাজিম উদ্দীন কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের উনকোট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (৭ই ফেব্রুয়ারী)

শনিবার নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের জন্য এক চ্যালেঞ্জিং সিচুয়েশন চলছে। আমরা কি ৫৪ বছরের পুরনো অন্ধকারের দিকে পশ্চাতে হাঁটতে থাকব? আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য এগিয়ে যাব।

. ডা.তাহের বলেন, “প্রথমে কেউ বলেছিল ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিরুদ্ধে না দেওয়ার জন্য সংস্কারের প্রশ্নে। কিন্তু জনগণের এত চাপে না এখন ‘হ্যাঁ’ হয়ে গেছে। উনারা বলেছিলেন বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান হচ্ছে, ইসলামের উত্থান হচ্ছে।

আর এখন তারা বলছে, আল্লাহ এবং রাসুলের আদর্শ অনুসারে দেশ পরিচালনা করবে। তারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন বাংলাদেশ তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। এখন আবার তারা বলছে, আমরা

দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ব। দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়লে তো আমাদের আপত্তি নেই

সুতরাং যারা এটাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন তাদের দ্বারা দুর্নীতি দূর করা সহজ হবে বলে মনে হয় না।’
ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ডা. মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন বাহারের পরিচালনায় জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির অ্যাডভোকেট মু. শাহজাহান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ড. আবুল কালাম আজাদ বাশার, চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আমির মাহফুজুর রহমান, সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, আবুল খায়ের, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, ইকবাল হোসেন মজুমদার, এমদাদুল হক শাহী, রুহুল আমিন, মমিনুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা শাহজালাল, মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশীদ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্র পরিচালক হাফেজ জহিরুল ইসলাম, আবদুল মন্নান, কামাল পাশা, নুরে আলম, মাওলানা মুজাম্মেল মনোয়ার, শেখ আহমেদ, মাওলানা রেজাউল করিম, জসিম মেম্বার, সৈয়দ আহমেদ, আহসান উল্যাহ, মামুনুর রশীদ, নুর হোসাইন মিয়াজী, মাওলানা আলী ওয়াক্কাছসহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড জামায়াত-শিবির নেতাকর্মী ও বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ।

প্রিন্ট করুন